Main Menu

পরকীয়ার অভিযোগে স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: পরকীয়ার অভিযোগ এনে স্বামীর পুরুষাঙ্গ কেটে নিলেন স্ত্রী রত্না বেগম। ঘটনার পর নিজেও চেষ্টা করেছিলেন আত্মহত্যার। বর্তমানে স্বামী মোবারক হোসেন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

চাঞ্চল্যকর এ ঘটনাটি ঘটেছে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার লোকেরপাড়া গ্রামে। সালিসের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চালাচ্ছে এলাকাবাসী। তবে, রত্নার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন মোবারক ও তার পরিবার।

সরেজমিনে জানা যায়, টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার মহির উদ্দিন খান লুলুর ছেলে মোবারক হোসেন ৭ বছর আগে ভালোবেসে বিয়ে করেন আপন ফুফাতো ভাই আকবরের মেয়ে ভাতিজি রত্নাকে। তবে ভাতিজিকে বিয়ে করায় মোবারকের পরিবার তা মেনে না নেয়ায় ঢাকাতেই বসবাস শুরু করে তারা। কিছুদিন না যেতেই শুরু হয় দাম্পত্য কলহ। এর মধ্যে তাদের ঘরে জন্ম নেয় একটি পুত্র সন্তান। তারপরও থেমে থাকেনা তাদের ঝগড়া-বিবাদ।

সর্বশেষ ঈদে বাড়িতে আসেন তারা। চলতে থাকে তাদের বাকবিতন্ডা। ২ এপ্রিল বুধবার রাতে এশার নামাজ পড়ে খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে মোবারক হোসেন। এই সুযোগে আগের থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে রাখা স্ত্রী রত্না ব্লেড দিয়ে স্বামী মোবারকের পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলে। এ সময় মোবারকের চিৎকারে স্বজনরা ছুটে এসে প্রথমে ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসা নিচ্ছেন তিনি।

এ ঘটনায় মোবারকের পরিবার জানায়, প্রেম করে ভাতিজিকে বিয়ে করলেও দু্’জনের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ হতো। মামলা না করে পারিবারিকভাবে বসে সমাধান করার কথা জানান তারা।

ভুক্তভোগী মোবারক জানান, পরিকল্পিতভাবেই তার সাথে এমনটি করা হয়েছে। এ ঘটনায় স্ত্রীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন মোবারক।

অভিযুক্ত স্ত্রী রত্না বেগম জানান, তার স্বামী পরকীয়ায় লিপ্ত ছিলো। রাগেই তিনি কাজটি করেছেন। তখন হিতাহিত কোন জ্ঞান ছিলো না।

তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোন মামলা বা অভিযোগ দায়ের হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

Share





Related News

Comments are Closed