Main Menu

সিসিকের হোল্ডিং ট্যাক্স এক লাফে ৫০০ গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি, জনমনে ক্ষোভ

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক : বর্তমানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির অস্থির সময়ে যখন মানুষের নাভিশ্বাস, হঠাৎ এক লাফে ৫ থেকে ৫০০ গুণ বেড়েছে হোল্ডিং ট্যাক্স। কারো ট্যাক্স বেড়েছে আরো বেশী। সিলেট সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক অস্বাভাবিক হারে বর্ধিত হোল্ডিং ট্যাক্স নিয়ে নগরজুড়ে চলছে ক্ষোভ-বিক্ষোভ ও চরম অসন্তোষ।

হোল্ডিং ট্যাক্স সহনীয় পর্যায়ে রাখার দাবীতে বিবৃতির পাশাপাশি রাজপথে পালিত হচ্ছে প্রতিবাদ কর্মসূচী।

এদিকে হোল্ডিং ট্যাক্স নিয়ে উদ্বিগ্ন না হওয়ার জন্য নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী। তিনি বলেছেন, জনগণের ভোগান্তি বা কষ্ট হয় এমন কোন কাগজে আমি স্বাক্ষর করবো না। আর এই বিষয়টিও সম্মানিত নাগরিকদের সাথে আলোচনা করে একটি যৌক্তিক সিদ্ধান্তে পৌঁছাবো।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নগরীর শামীমাবাদ এলাকার এক বাসিন্দা আগে বছরে ৬০০ টাকা হোল্ডিং ট্যাক্স দিতেন। কিন্তু পঞ্চবার্ষিক কর পুনর্মূল্যায়নের পর তার বার্ষিক গৃহকর হোল্ডিং ট্যাক্স ১ লাখ ৫৬ হাজার ৬০০ টাকা নির্ধারণ করেছে সিটি করপোরেশন, যা আগের চেয়ে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬১ গুণ।
খাসদবির এলাকার এক ব্যাক্তি আগে বছরে হোল্ডিং ট্যাক্স দিতেন ২০০ টাকা। এখন তার এই ট্যাক্স করা হয়েছে ৩৬০০ টাকা। এভাবে নগরীর প্রায় সকল ট্যাক্সধারির জন্য ২০০ গুণ থেকে ৫০০ গুণ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে হোল্ডিং ট্যাক্স। ফলে জনমনে বিরাজ করছে ক্ষোভ।

জানা গেছে, নগরীর প্রায় পৌনে এক লাখ ভবন মালিকের গৃহকর ৫ থেকে ৫০০ গুণ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে বলে অভিযোগ করছেন ভুক্তভোগীরা।
একাধিক ভবনমালিক জানান, গত ৩০ এপ্রিল থেকে সিটি করপোরেশন নতুন নির্ধারিত হোল্ডিং ট্যাক্স অনুযায়ী ভবন মালিকদের ট্যাক্স পরিশোধের নোটিশ দেওয়া শুরু করে। একলাফে ‘অসহনীয়ভাবে’ হোল্ডিং ট্যাক্স বৃদ্ধিতে বিপাকে পড়েছেন ভবন মালিকেরা। এ নিয়ে তৈরি হচ্ছে ক্ষোভ ও অসন্তোষ। নগরবাসী দ্রুত এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি তুলেছে।

এ ব্যাপারে সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ২০১৯-২০ সালে ভবনগুলোর আয়তন ও ধরন অনুযায়ী নতুনভাবে হোল্ডিং ট্যাক্স নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে কারও আপত্তি থাকলে তাঁরা তা আবেদন করে জানাতে পারবেন। আবেদন রিভিউ বোর্ডে শুনানির মাধ্যমে যৌক্তিকভাবে নিষ্পত্তি করা হবে।

সিসিকের রাজস্ব শাখা জানিয়েছে, নতুন হোল্ডিং ট্যাক্সে আবাসিক ভবনের প্রতি বর্গফুট পাঁচ টাকা ও বাণিজ্যিক ভবনের প্রতি বর্গফুটের জন্য আট টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে সুর্নির্দিষ্ট কোনো নীতিমালার আলোকে এই ট্যাক্স আদায় করা হয়নি। তবে একটি সূত্র জানিয়েছে, আগে আবাসিক ভবনের প্রতি বর্গফুট তিন টাকা ও বাণিজ্যিক ভবনের প্রতি বর্গফুটের জন্য পাঁচ টাকা নির্ধারিত ছিল; যদিও মেয়রের কাছে আবেদন করে অনেকে এর চেয়ে অনেক কম হোল্ডিং ট্যাক্স দিতেন।

ভবনমালিকদের অভিযোগ, পুনর্মূল্যায়নের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন আছে। অনেক আবাসিক কাঁচা কিংবা আধা পাকা ভবনের ক্ষেত্রেও ১০ থেকে ৫০ গুণ পর্যন্ত গৃহকর অযৌক্তিকভাবে বাড়ানো হয়েছে। সিসিকের রাজস্ব শাখার তথ্যানুযায়ী, ২০১৯-২০ সালে মাঠপর্যায়ে অনুসন্ধান শেষে হোল্ডিং সংখ্যা পুননির্ধারিত হয়। এতে পুরোনো ২৭টি ওয়ার্ডে হোল্ডিং নির্ধারিত হয় ৭৫ হাজার ৪৩০টি। এসবের হোল্ডিং ট্যাক্স আদায়ে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ১১৩ কোটি ২৭ লাখ ৭ হাজার ৪০০ টাকা। নতুন ট্যাক্স ধার্যের সময় ধরা হয় ২০২১-২২ সাল। সেই করারোপের তালিকাই ৩০ এপ্রিল প্রকাশ করা হয়েছে। তবে নতুনভাবে যুক্ত হওয়া ১৫টি ওয়ার্ডের হোল্ডিং ট্যাক্স এ তালিকায় আসেনি।

সিটি করপোরেশনের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মো. মতিউর রহমান খান বলেন, নতুন হোল্ডিং ট্যাক্স নিয়ে আপত্তি থাকলে ১৪ মে পর্যন্ত ভুক্তভোগীরা আপত্তি জানাতে পারবেন। পরে রিভিউ বোর্ডে শুনানির মাধ্যমে তা নিষ্পত্তি করা হবে। করপোরেশনের একটি সূত্রের দাবি, সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিগত পরিষদের গৃহকর বিষয়ক সিদ্ধান্তের বাস্তবায়নই বর্তমান মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন পরিষদ করছে।

যোগাযোগ করলে আরিফুল হক চৌধুরী দাবি করেন, তাঁর পরিষদ প্রতি বর্গফুটে দুই টাকা বাড়িয়েছে। কিন্তু এখন কয়েক’শ গুণ হোল্ডিং ট্যাক্স বাড়ার বিষয়টি যেমন শোনা যাচ্ছে, তাঁরা সেটা করেননি।

মঙ্গলবার (৭ মে) বিকেলে নগর ভবনে গিয়ে দেখা গেছে, শত শত মানুষ নতুন হোল্ডিং ট্যাক্সের নোটিশ হাতে অসন্তোষ জানাচ্ছেন। তাঁরা করপোরেশনের অস্থায়ী বুথে আপত্তি জানিয়ে আবেদনপত্র দাখিল করছেন।

কুমারপাড়া এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ তৌফিক এলাহী চৌধুরী জানান, তাঁর টিনশেডের বাসায় পরিবার নিয়ে তিনি থাকেন। আগে বছরে ৭০০ টাকা হোল্ডিং ট্যাক্স দিতেন। এখন তাঁকে ৪ হাজার ৩২০ টাকা দিতে বলা হয়েছে। অথচ তাঁর বাসার ধরন কিংবা আয়তন, কোনোটাই বদলায়নি।

২৭নং ওয়ার্ডের বন্দরঘাট এলাকার পানের দোকানদার মো. আবদুর রহিমের একটি টিনশেড বাসা আছে। আগে তিনি বছরে ১২০ টাকা হোল্ডিং ট্যাক্স দিতেন। এখন তাঁর ট্যাক্স নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ হাজার ৯২০ টাকা। রহিম বলেন, তাঁর আয়ের টাকায় সংসারই ঠিকমতো চলে না, এখন নতুন করে করের বোঝা তাঁকে ভাবাচ্ছে।

এদিকে নতুন হোল্ডিং ট্যাক্সের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বিভিন্ন রাজনৈতিক, অরাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবি সংগঠন প্রতিবাদী কর্মসূচি পালন শুরু করেছে। অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও সমালোচনা করছেন। গত রোববার সিলেট মহানগর বিএনপির পক্ষ থেকে বিবৃতিতে অস্বাভাবিক হোল্ডিং ট্যাক্স বৃদ্ধির প্রতিবাদ জানিয়ে তা সহনীয় পর্যায়ে রাখার দাবী জানানো হয়। মঙ্গলবার একই দাবীতে বিবৃতি দিয়েছে সিলেট জেলা বিএনপি।

বিবৃতিতে জেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দ বলেন, অপর্যাপ্ত নাগরিক সুযোগ-সুবিধা ও নগরবাসীকে অবর্ণনীয় দুর্ভোগের মধ্যে রেখেই নতুন এসেসমেন্টের নামে শতকরা ৫ হাজার শতাংশ থেকে শুরু করে ১০/১১ হাজার শতাংশ পর্যন্ত হোল্ডিং ট্যাক্স বাড়ানো হয়েছে। যা সম্পূর্ণ অন্যায়, অমানবিক ও নগরবাসীর প্রতি জুলুম। নতুন এই হোল্ডিং ট্যাক্স নাগরিক সুযোগ-সুবিধা বঞ্চিত নগরবাসীর জন্য ‘মরার উপর খাঁড়ার ঘায়ে’ পরিণত হয়েছে।

গত সোমবার বিকেলে নগরীর আম্বরখানা এলাকায় বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করে। বাসদ সিলেটের আহ্বায়ক আবু জাফরের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তারা নতুন হোল্ডিং ট্যাক্সকে অযৌক্তিক ও গণবিরোধী বলে অভিহিত করেন। একই দিন রাত ৮টায় জিন্দাবাজার এলাকার সিলেট নজরুল একাডেমিতে জাসদ সিলেটের সভাপতি লোকমান আহমদের আহ্বানে ‘লাগামহীন ও অযৌক্তিক গৃহকরের পরিপ্রেক্ষিতে করণীয়’ শীর্ষক মতবিনিময় সভা হয়। এতে বিভিন্ন প্রগতিশীল রাজনৈতিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশে অর্থনৈতিক সংকট তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে। প্রতিদিন বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম। গ্যাস-বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি হচ্ছেও পাল্লা দিয়ে। মানুষের জীবনে নাভিশ্বাস উঠছে। ঠিক এই সময়ে সিলেট সিটি করপোরেশনের অযৌক্তিক হোল্ডিং ট্যাক্স আরোপ পুরো নগরবাসীর জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলবে। নেতৃবৃন্দ- সিসিক আরোপিত অযৌক্তিক হোল্ডিং ট্যাক্স বাতিলের দাবিতে সোচ্চার হওয়ার জন্য নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।

এদিকে হোল্ডিং ট্যাক্স সহনীয় পর্যায়ে রাখতে গত রোববার রাতে নগর ভবনে মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে ‘দুর্নীতি মুক্তকরণ বাংলাদেশ ফোরাম’ নামের একটা সংগঠন। এ ছাড়া একই দিন রাতে নগরীর কদমতলী এলাকাবাসী আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভায় অস্বাভাবিক হোল্ডিং ট্যাক্স বাতিলের দাবী জানানো হয়।

এদিকে সিসিকের সাবেক কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র আব্দুল কাইয়ুম জালালী পংকীর আহ্বানে অস্বাভাবিক হোল্ডিং ট্যাক্স বৃদ্ধির প্রতিবাদে গত সোমবার সন্ধ্যায় নগরীর ভাতালিয়াস্থ তার নিজ বাসভবনে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৪২টি ওয়ার্ডের বিভিন্ন শ্রেণীপেশার প্রতিনিধিত্বশীল ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

এ ব্যাপারে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সিলেটের সভাপতি ফারুক মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘হোল্ডিং ট্যাক্স বৃদ্ধি হওয়া স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। স্বাভাবিক হারে সেটি সব জায়গায় বৃদ্ধি করা হয়। আমাদের ১০০ গুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে। এখনো সময় আছে মেয়র এটি বন্ধ বা বাতিল করে নগরবাসীকে নিয়ে বসে যৌক্তিক কর নির্ধারণ করার। অন্যথায় তিনি একজন বিতর্কিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে পরিচিতি লাভ করবেন।’

সিলেট মেট্রোপলিটন চেম্বারের সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুল জব্বার জলিল বলেন, ‘যারা হোল্ডিং কর দেয়, তাদের ওপর বোঝা না চাপিয়ে নতুন করদাতা তৈরি করা উচিত। হোল্ডিং ট্যাক্স বাড়ানোর আগে নাগরিক সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে হবে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই সময়ে যখন মানুষের নাভিশ্বাস, তখন এমন ভৌতিক হোল্ডিং ট্যাক্স মেনে নেওয়া যায় না। এই কার্যক্রম স্থগিত করে সহনীয় হারে হোল্ডিং ট্যাক্স বাড়ানো হোক।’

সিসিকের প্রধান অ্যাসেসর মো. আব্দুল বাছিত জানান, ‘বর্গফুটপ্রতি বাণিজ্যিকে ৮ ও আবাসিকে ৫ টাকা ধার্য করে হোল্ডিং কর নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন ওয়ার্ডগুলোতে অ্যাসেসমেন্টের কাজ চলছে, শেষ হলে হোল্ডিং করের পরিমাণ জানিয়ে দেওয়া হবে। ভুল-বোঝাবুঝি হচ্ছে, কেউ কেউ একটু বাড়িয়েও বলছেন। আগে কম ছিল না, রিভিউ করে কমিয়ে দেওয়া হতো।’

সিসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মো. মতিউর রহমান খান বলেন, ‘মূলত হোল্ডিং কর খুব বেশি বাড়ানো হয়নি। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোতে সাধারণত প্রতি ৫ বছর পর একবার করে হোল্ডিং ট্যাক্স নির্ধারণ করার নিয়ম। কিন্তু সিসিকে প্রায় ২০ বছর পর নতুন হোল্ডিং ট্যাক্স নির্ধারণ করায় মানুষের কাছে একটু বেশিই মনে হচ্ছে। তারপরও সিসিক কর্তৃপক্ষ আপত্তি করার সুযোগ রেখেছে। নির্দিষ্ট ডি-ফরম পূরণ করে যৌক্তিক দাবি তুলে ধরলে তা যাচাই করা হবে। এ জন্য কয়েক দিনের মধ্যেই রিভিউ (পর্যালোচনা) বোর্ড গঠন করা হবে। এই বোর্ড পরবর্তী সময়ে শুনানির দিন ধার্য করবে এবং আপত্তিকারীর দাবি যৌক্তিক হলে তাঁর কর কমিয়ে দেওয়া হবে।’

এদিকে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী গত মঙ্গলবার নগরবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, হোল্ডিং কর নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। জনগণের ভোগান্তি বা কষ্ট হয় এমন কোন কাগজে আমি স্বাক্ষর করবো না। আর এই বিষয়টিও সম্মানিত নাগরিকদের সাথে আলোচনা করে একটি যৌক্তিক সিদ্ধান্তে পৌঁছাবো।

মেয়র বলেন, আমি একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি। নগরীর সর্বস্তরের জনগণ মেয়র পদে নির্বাচিত করেছেন। জনগণের ভোগান্তি বা ক্ষতি হয় এমন কোনও কাজ আমাকে দিয়ে হবেনা। হোল্ডিং কর নিয়ে যদি কোনরূপ অসঙ্গতি/অমিল পাওয়া যায় অবশ্যই ফরম-ডি এর মাধ্যমে আপত্তি করার ব্যবস্থা রয়েছে।

 

Share





Related News

Comments are Closed