স্ত্রীর পরকীয়া প্রেমিকের হুমকিতে নিরাপত্তাহীন রাজন
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: স্ত্রীর পরকীয়া প্রেমিক ইমরানের হুমকিতে দুই সন্তান নিয়ে অসহায় অবস্থায় জীবন-যাপন করছেন সিলেট নগরীর কুয়ারপারের ইঙ্গুলাল রোডের ফুল মিয়ার ছেলে মো. রাজন। এ ব্যাপারে তিনি সিলেট মহানগর পুলিশের কোতোয়ালি থানায় জিডিও দায়ের করেছেন। জিডিতে দুই শিশুসন্তানসহ নিজের নিরাপত্তা চেয়েছেন রাজন।
বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি সন্তানসহ নিজের নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে রাজন জানান, ১২ বছর আগে একই এলাকার সুরুজ মিয়ার মেয়ে শাহানা বেগমকে (২৮) তিনি বিয়ে করেছিলেন। তার এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। বড় মেয়ের বয়স ১১ বছর।
তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি আমার স্ত্রীর অস্বাভাবিক আচরণ দেখে সন্দেহ হলে আমি খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, সে নগরীর লালাদিঘিরপাড়ের ২৭নং বাসার এরশাদ মিয়ার ছেলে ইমরানের (২৮) সাথে পরকীয়ায় লিপ্ত। এ অবস্থায় তার সাথে আমার ঝগড়াঝাটি লেগেই ছিল। এক পর্যায়ে গত ১৪ এপ্রিল ইমরান আমার কাছে আসে এবং শাহানাকে তালাক দিতে চাপ দেয়। আমি তা অস্বীকার করলে সে আমার দুই সন্তানসহ আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। আমি শঙ্কিত হয়ে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়রি দায়ের করি (নং১১৫৩/১৪/০৪/২৪)।’
সংবাদ সম্মেলনে রাজন আরও অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার স্ত্রীকে গত ১৪ এপ্রিল ইমরান নিয়ে গেছে এবং তার বোনের কাছে রেখেছে। সে তাকে প্ররোচিত করে আমার জিডির বিপরীতে আমার এবং শাহানার ফুফাতো ভাই ফকির এবং তার বন্ধু বাদলের বিরুদ্ধে মিথ্যা- বানোয়াট অভিযোগ করে আবার তা প্রত্যাহারও করেছে।’
সার্বিক পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত রাজন যখন-তখন ইমরান ও তার পক্ষের লোকজনের হামলার শঙ্কায় শঙ্কিত। তিনি তার নিজের এবং দুই ছেলে-মেয়ের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিতে স্থানীয় ১২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সিকন্দর আলী ও ১১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আব্দুর রকিব বাবলুসহ পুলিশ প্রশাসন এবং সচেতন এলাকাবাসীর হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।
Related News
৩০ অক্টোবর ঢাকায় সমাবেশ সফলে সিলেটে মশাল মিছিল
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাতিল, নিউমুরিং টার্মিনাল ইজারা বাতিলসহ বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ৩০Read More
সিলেটে দুই ফুডকার্টকে জরিমানা
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার সংরক্ষণ, অনুমোদনহীন সস ও মসলা ব্যবহারসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগেRead More



Comments are Closed