Main Menu

৫০ যাত্রী নিয়ে বুড়িগঙ্গায় ওয়াটার বাসডুবি, ৪ মরদেহ উদ্ধার

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: ঢাকার সদরঘাটের তৈলঘাট এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীতে যাত্রীসহ একটি ওয়াটার বাস ডুবে গেছে। ঘটনাস্থলে উদ্ধার কাজ করছে সদরঘাট নদী ফায়ার স্টেশনের দুইটি ও সিদ্দিকবাজার থেকে এক ইউনিট ডুবুরিসহ নৌ-পুলিশ। এখন পর্যন্ত চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে নৌ পুলিশ।

রোববার (১৬ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে একটি বাল্কহেডের সঙ্গে ধাক্কা লাগার পর এটি ডুবে যায়।

জানা যায়, ওয়াটার বাসটি সূত্রাপুরের শ্যামবাজার থেকে নারায়ণগঞ্জের তৈলঘাট যাচ্ছিল। পথিমধ্যে মাঝ নদীতে বলগেটের সঙ্গে ধাক্কা লেগে বাসটি উল্টে যায়। কিছু যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠলেও অনেকে নিখোঁজ রয়েছেন। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

নৌ-পুলিশের সদরঘাট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মেহেদী হাসান মারুফ সংবাদ মাধ্যমকে জানান, বাল্কহেডের ধাক্কায় ওয়াটার বাসটি ডুবে গেছে। বাল্কহেডটি পুলিশি হেফাজতে আছে। এতে ৫০ জনের মতো যাত্রী ছিলেন। ২৫ জনের মতো সাঁতরে তীরে উঠতে পেরেছেন। পরে আটজনকে উদ্ধার করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ওয়াটার বাসডুবির ঘটনায় এখন পর্যন্ত চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে মরদেহের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছি।

ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, আমাদের উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি ওয়াটার বাসটিকে পানি থেকে উঠানোর। ফায়ার সার্ভিস এখন পর্যন্ত তিনজনকে সচেতন অবস্থায় উদ্ধার করেছে।

এ ঘটনায় নিখোঁজের সংখ্যাটা এই মুহূর্তে বলা যাচ্ছে না। আমরা যতটুক জেনেছি ওয়াটার বাসটিতে ৪০ থেকে ৫০ জন যাত্রী ছিলেন। কিন্তু দুর্ঘটনাটি নদীর তীরের পাশে হওয়ায় শুনেছি ওই সময় অনেক যাত্রী তীরে উঠে যেতে পেরেছেন। তবে দুর্ঘটনাস্থলের আশপাশে নিখোঁজের দাবিদার স্বজনরা রয়েছেন। কিন্তু স্বজনদের সংখ্যা দিয়ে আসলে নিখোঁজের প্রকৃত সংখ্যা বলা যাচ্ছে না। কেননা দেখা গেছে একজন নিখোঁজের চার-পাঁচজন স্বজন দুর্ঘটনস্থলে এসেছেন। তবে আমাদের আনুমানিক ধারণা নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা নয়, কিন্তু ধারণা ৮ থেকে ১০ জন যাত্রী নিখোঁজ হয়ে থাকতে পারেন। এই সংখ্যাটি সম্পূর্ণ অনুমান নির্ভর। আমরা ওয়াটার বাসটি পানি থেকে তুলতে পারলে এ বিষয়ে কিছুটা পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে। তবে ওয়াটার বাসটি পানি থেকে তোলার পরও নিখোঁজের প্রকৃত সংখ্যা বলা যাবে না। কারণ দূরে গিয়ে যদি কোনো মরদেহ ভেসে ওঠে , সেজন্য এখনই নিখোঁজের প্রকৃত সংখ্যা বলা যাবে না।

ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার ফারুক রাসেল দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বালুবাহী বাল্কহেডের ধাক্কায় ওয়াটার বাসটি ডুবে যায়। ওয়াটার বাসটি সদরঘাট থেকে কেরানীগঞ্জের তৈলঘাট যাচ্ছিল। ঘটনার পর উদ্ধার কাজে আমাদের তিনটি ইউনিট কাজ করছে।

 

Share





Related News

Comments are Closed