সিলেটে শাহজালাল (র.) এর দুদিন ব্যাপী ওরস শুরু
নিজস্ব প্রতিবেদক: ওলিকুল শিরোমণি হজরত শাহজালালের (র.) এর ৭০৪তম ওরস শুরু হয়েছে শুক্রবার (৯ জুন) সকালে। গিলাফ ছড়ানোর মাধ্যমে দুই দিনব্যাপী ওরস শুরু হয়। শেষ হবে শনিবার (১০ জুন) ভোররাতে।
জানা যায়, প্রতিবছর আরবি মাসের ১৯ ও ২০ জিলকদ দুই দিনব্যাপী হজরত শাহজালালের (র.) ওরস অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। শুক্রবার সকালে ঐতিহাসিক গিলাফ ছড়ানোর মাধ্যমে ওরস কার্যক্রমের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু করে শাহজালাল (রহ.) দরগাহ কর্তৃপক্ষ।
শনিবার ভোররাতে অনুষ্ঠিত হবে আখেরি মোনাজাত, এরপর শিরনি বিতরণের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়ে দুইদিন ব্যাপী এই ওরসের কার্যক্রম।
শুক্রবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ওরস উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ভক্ত আশেকানরা জড়ো হয়েছেন। শাহজালালের শানে বিভিন্ন গান ও গজল গেয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকেও মাজারে আসছেন ভক্ত-আশেকানরা। অসংখ্য অনুরাগীরা শামিয়ানা টাঙিয়ে দলে দলে জড়ো হয়েছেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা শিল্পীগোষ্ঠীরাও ভক্তিমূলক গানেরজলসা বসিয়েছেন মাজারে। এছাড়াও শান্তিপূর্ণভাবে ওরস সম্পন্ন করতে প্রশাসন এবং মাজার কর্তৃপক্ষ নিয়েছে বিভিন্ন পদক্ষেপ।
ওরসের সার্বিক নিরাপত্তায় নেওয়া হয়েছে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা। দরগাহ এলাকায় বসানো হয়েছে অত্যাধুনিক সিসি ক্যামেরা এবং মাজারের প্রত্যেকটি প্রবেশ দ্বারে বাড়ানো হয়েছে বাড়তি পুলিশি নিরাপত্তা। এমনটা জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
দলবেঁধে আসা দেশ-বিদেশের ভক্তদের হাতে রয়েছে বাহারি গিলাফ। আর মুখে মুখে উচ্চারণ হচ্ছে ‘লালে লাল– বাবা শাহজালাল’!
জানা যায়, প্রতিবছর আরবি মাসের ১৯ ও ২০ জিলকদ দুই দিনব্যাপী হজরত শাহজালালের (র.) ওরস অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত থেকে পশু জবাই করার মধ্য দিয়ে ওরসের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আজ শুক্রবার সকালে ঐতিহাসিক গিলাফ ছড়ানোর মাধ্যমে ওরস কার্যক্রমের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু করে শাহজালাল (রহ.) দরগাহ কর্তৃপক্ষ। শনিবার ভোররাতে অনুষ্ঠিত হবে আখেরি মোনাজাত, এরপর শিরনি বিতরণের মাধ্যমে সমাপ্ত হবে দুইদিন ব্যাপী এই ওরসের কার্যক্রম।
ওরস উপলক্ষে ভক্ত-আশেকানরা শতাধিক গরু ও খাসি এসেছে নজরানা হিসাবে। সারাদেশ থেকে আসা ভক্ত-আশেকানদের মধ্যে শিরনি বিতরণের জন্য পশুগুলো জবাই করা হয়। এই সময়ে ভক্তরা জিকির ও এবাদত বন্দেগির মাধ্যমে সময় অতিবাহিত করবেন।
উল্লেখ্য, ইসলাম প্রচারের জন্য হযরত শাহজালাল (রহ.) ১৩০৩ খ্রিস্টাব্দে ৩৬০ সফরসঙ্গী নিয়ে সিলেট আসেন। ১৩৪৬ খ্রিস্টাব্দের ১৯ জিলকদ তিনি ইন্তেকাল করেন। সিলেটে তিনি যে টিলায় বসবাস করতেন, সেখানেই তাকে দাফন করা হয়। তার কবরকে ঘিরেই পরে গড়ে উঠেছে মাজার।
Related News
রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগদান না করা নিয়ে সিলেট মহানগর বিএনপির বিবৃতি
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: আয়োজকদের স্বেচ্ছাচারিতার কারণে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে নগরভবনে অনুষ্ঠিত নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানেRead More
গণতন্ত্র পেয়েছি, রক্ষা করা এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দীর্ঘ সংগ্রাম ও ত্যাগের বিনিময়ে দেশেRead More



Comments are Closed