Main Menu

শিক্ষা উপকরণের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে সিলেটে শিবিরের বিক্ষোভ

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: কাগজসহ সব ধরনের শিক্ষা উপকরণের অযৌক্তিক ও অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে নগরীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশের আয়োজন করে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সিলেট মহানগর শাখা।

মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর ) বিক্ষোভ মিছিলটি নগরীর আম্বরখানা পয়েন্ট থেকে শুরু হয়ে নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে হাউজিং এস্টেট পয়েন্টে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

মিছিল পরবর্তী সংক্ষিপ্ত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সিলেট মহানগর সেক্রেটারি সিদ্দিক আহমদ। এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন শাবিপ্রবি সেক্রেটারি মিসবাউল করিম, জেলা পশ্চিম সেক্রেটারি রায়হান আহমদ।

মিছিল পরবর্তী সংক্ষিপ্ত সমাবেশে সিদ্দিক আহমদ বলেন, বাজার ব্যবস্থাপনায় ক্ষমতাসীনদের সীমাহীন ব্যর্থতা ও অযোগ্যতা এবং নিজেদের মদদপুষ্ট ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের কারসাজির ফলস্বরূপ সব নিত্য প্রয়াজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় শিক্ষা উপকরণেরও অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি পরিলক্ষিত হচ্ছে। মূল্যস্ফীতির কারণে খাদ্যের বা নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার বিষয়টি যেভাবে আলোচনায় এসেছে, শিক্ষা উপকরণের দাম বাড়ার বিষয় সেভাবে আলোচনায় আসে না। শিক্ষা উপকরণের দাম বাড়ার ফলে চলমান শিক্ষা কার্যক্রম বিঘিœত হবে। মানুষের খরচের বোঝা আরও ভারী হয়ে যাবে। নিম্নবিত্ত মানুষেরা পড়াশোনা চালাতে নিরুৎসাহিত হবে। এমনকি পড়াশোনা বন্ধ করার মতো সিদ্ধান্তও নিতে পারেন অনেকে। ক্ষমতাসীনদের মদদপুষ্ট ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের কারসাজিতে নিত্যপণ্যের মতো শিক্ষা উপকরণেরও অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতের আহ্বান জানাচ্ছি। অন্যথায় দেশের শিক্ষার্থী সমাজকে সঙ্গে নিয়ে সরকারসহ ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে গণ প্রতিরোধ গড়ে তোলবে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।

এদিকে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সিলেট মহানগর আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম ও ইসলামী ছাত্রশিবির সিলেট মহানগর সভাপতি আব্দুল্লাহ আল-ফারুকসহ ৭ জনের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সিদ্দিক আহমদ বলেন, জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবির নেতৃবৃন্দকে হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলায় জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় আমরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি। তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও রাজনৈতিক উদ্দশ্য প্রণোদিত। রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করার হীন উদ্দেশ্যেই তাদের বিরুদ্ধে এই মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়। জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরের জনপ্রিয়তায় ভীত হয়েই সরকার নেতৃবৃন্দদের নানাভাবে হয়রানি করছে। জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবির দেশের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল তাই তারা আইনের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে গতকাল সোমবার আদালতে হাজির হন। কিন্তু তাদের জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় আমরা বিস্মিত ও হতবাক হয়েছি। অবিলম্বে আটককৃত সকল নেতা-কর্মীকে মুক্তি দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহবান জানাচ্ছি।”

 

Share





Related News

Comments are Closed