Main Menu

ফিলিপাইনে বন্যা-ভূমিধসে ৩১ জনের মৃত্যু

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: ক্রান্তীয় ঝড় ‘নালগা’ দক্ষিণ ফিলিপাইনে আঘাত হানার ফলে প্রবল বর্ষণের কারণে হওয়া আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ৩১ জন মারা গেছেন। নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত আরও নয়জন। শুক্রবার দেশটির কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।

মুষলধারে বৃষ্টি ও ঝড়ের ফলে রাতারাতি আকস্মিক বন্যা শুরু হয়। ফলে মিন্দানাও দ্বীপের কোটাবাটো ও এর আশেপাশের এলাকার তিন লাখ মানুষ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

মুসলিম স্বায়ত্তশাসিত মিন্দানাওয়ের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাগুইব সিনারিম্বো জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্তদের বেশিরভাগই বন্যার পানিতে ভেসে গেছেন। মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মিন্দানাও প্রদেশের তিনটি শহর।

সিনারিম্বো টেলিফোনে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে (এপি) বলেছেন, রাতারাতি বৃষ্টির পানির পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায় এবং নদীগুলো পানিতে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে। তিনি আরও বলেন, আমি আশা করি হতাহতের সংখ্যা আর বাড়বে না। তবে এখনও কিছু এলাকা রয়েছে যেখানে আমরা পৌঁছাতে পারিনি।

সিনারিম্বো বলেছেন, শুক্রবার সকাল থেকে বৃষ্টি কমেছে। যার ফলে বেশ কয়েকটি শহরে বন্যা কমতে শুরু করেছে। গভর্ণর ও দুর্যোগ-প্রতিক্রিয়া কর্মকর্তাদের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে, মিন্দানাওয়ের পার্শ্ববর্তী উপকূলীয় শহর দাতু ওডিন সিনসুয়াত ও দাতু ব্লা সিনসুয়াতে ২৬ জন পানিতে ডুবে মারা গেছেন এবং বাকি পাঁচজন মাগুইন্দানাওতের উপি শহরে মারা যান।

চলতি বছর ফিলিপাইন দ্বীপপুঞ্জে আঘাত হানা ১৬তম ঝড় ‘নালগাই’। ম্যানিলার প্রাদেশিক আবহাওয়া অফিস বলেছে যে, এই ঝড়-বৃষ্টির কারণ গ্রীষ্মমন্ডলীয় ঝড় নালগা। যা উত্তর ফিলিপাইনের দিকে অগ্রসর হয়েছে।

ফিলিপাইন দ্বীপপুঞ্জে প্রতি বছর প্রায় ২০টি টাইফুন ও ঝড় আঘাত হানে। এটি প্রশান্ত মহাসাগরের ‘রিং অফ ফায়ার’-এ অবস্থিত। অর্থাৎ এটি প্রশান্ত মহাসাগরের বেশিরভাগ অংশ বরাবর এমন একটি অঞ্চল, যেখানে অনেক আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত এবং ভূমিকম্প ঘটে। যার ফলে দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় এই দেশটি বিশ্বের অন্যতম দুর্যোগ-প্রবণ দেশ হয়ে উঠেছে।

Share





Related News

Comments are Closed