সিলেটে নিশাত হত্যায় ২ জনের আমৃত্যু ও দুজনের যাবজ্জীবন
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের জৈন্তাপুরের আলোচিত উসমান গনি নিশাত (১৭) হত্যা মামলার রায়ে দুজনের আমৃত্যু ও দুজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেছেন আদালত।
বুধবার (১০ আগস্ট) সিলেটের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক ইব্রাহিম মিয়া এই রায় দেন। রায়ে একজনকে খালাস প্রদান করা হয়েছে।
এই আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আবদুল মজিদ খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আদালত সূত্র জানায়, বুধবার বিকাল ৩টায় দীর্ঘ শুনানি, যুক্তিতর্ক ও স্বাক্ষী-প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নের লক্ষীপ্রসাদ কান্দিগ্রামের সৌদিআরব প্রবাসী মন্তাজ আলী ওরফে ময়না ছেলে উসমান গনি নিশাত হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়ায় আদালতে উপস্থিত তিন আসামির সম্মুখে রায় প্রকাশ করেন।
তার মধ্যে রেজওয়ান আহমদ (২৮) ও দুলাল আহমদকে (৪২) আমৃত্যু কারাদণ্ড এবং বকুল (৪২) ও নাজিমকে (৩৫) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন। তবে আরেক আসামি হোসেন আহমদকে (৪৫) খালাস প্রদান করেন আদালত।
এদিকে, নাজিম উচ্চ আদালত হতে জামিন মুক্ত হয়ে রায়ের আগেই দেশ ত্যাগ করে বিদেশে পালিয়ে যান। বকুলও একইভাবে পলাতক রয়েছেন। তবে তিনি কোথায় আছে তা জানা যায়নি।
বুধবার রায় ঘোষণার পর নিহত নিশাতের পিতা সৌদিআরব প্রবাসী মন্তাজ আলী ময়না বলেন, আদালতের রায়ে তিনি ও তার পরিবার সন্তুষ্ট। রায়টি দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানান তিনি আদালতের কাছে।
উল্লেখ্য, ২০১৫ সনের ৩০ জুন বাড়ী হতে পার্শ্ববর্তী কানাইঘাট উপজেলার চতুল বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ক্রয় করতে গিয়ে উসমান গনি নিশাত (১৭) খুন হন। পরে ২ জুলাই কানাইঘাট উপজেলার দূর্গাপুর উচ্চবিদ্যালয়ের দক্ষিণ পার্শ্বে সুতারি খাল হতে জবাই করা ও বুকে আঘাতপ্রাপ্ত অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ঐ ঘটনায় উসমান গনি নিশাতের পিতা মন্তাজ আলী ময়না বাদী হয়ে কানাইঘাট থানায় হত্যা মামলা করেন।
Related News
অনলাইনে গুজব-মিথ্যা তথ্য, ব্যবস্থা নিতে বিটিআরসিকে নির্দেশ
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: অনিবন্ধিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব, মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্যRead More
মানবতাবিরোধী অপরাধে ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকRead More



Comments are Closed