জুনেই খুলছে পদ্মা সেতু
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: চলতি বছর জুনে পদ্মা সেতু যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে। আর মার্চেই শেষ হবে কার্পেটিং এবং ফেব্রুয়ারি মাসেই শেষ হবে মুভমেন্ট জয়েন্টের কাজ।
বিশাল কর্মযজ্ঞ বাস্তবায়নের পাশাপাশি সৌন্দর্যবর্ধনের কাজও চলছে দ্রুত গতিতে। মূল সেতুর অগ্রগতি হয়েছে প্রায় সাড়ে ৯৬ শতাংশেরও বেশি।
জুন মাস যতই এগিয়েছে, কাজের গতি বাড়ছে। আর মানুষের অপেক্ষার পালাও কমে আসছে। দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন পদ্মা সেতু এখন বাস্তবের দোরগোড়ায়। নিজস্ব অর্থায়নে এত বড় কর্মযজ্ঞের মাইলফলকও এটি।
যান চলাচলের জন্য দিনরাত তিন শিফটে ২৪ ঘণ্টাই মহা কর্মযজ্ঞের ব্যস্ততা। সমান তালে চলছে সেতুর কার্পেটিং ও মুভমেন্ট জয়েন্টের কাজ। কর্তৃপক্ষের আশা মার্চেই সম্পন্ন হবে কার্পেটিং। কাজের এমন অগ্রগতিতে খুশি পদ্মাপাড়ের মানুষ।
চার লেয়ার ওয়াটার প্রুফ এবং ৬০ ও ৪০ মিলিমিটার পুরুত্বে দুই লেয়ারে ১০০ মিলিমিটার পুরুত্বের কার্পেটিং চলছে এখন। ওয়াটার প্রুফ কাজের অগ্রগতি ২২ দশমিক ৭৬ ভাগ। মূল সেতুর কার্পেটিং ৬ দশমিক ৯০ শতাংশ এবং সংযোগ সেতুর কার্পেটিং অগ্রগতি ৫৬ দশমিক ২২ ভাগ।
এদিকে মূল সেতুর ৮টি জয়েন্টের ৬টি শেষ হয়েছে। মূল সেতুর মুভমেন্ট জয়েন্টের অগ্রগতি ৯৭ দশমিক ৫০। ভায়াডাক্ট মুভমেন্ট জয়েন্টের অগ্রগতি ৯৬ দশমিক ৬৬ ভাগ। চলতি মাসেই মুভমেন্ট জয়েন্টের কাজ শেষ হবে।
পুরো সেতু জুড়েই চলছে ঘষামাজাসহ নানা রকম অলংকারিক কাজ। নির্দিষ্ট সময়ে আগেই শেষ করতে পরিকল্পিতভাবে সব কাজ এগুচ্ছে বলে জানালেন প্রকল্প পরিচালক মো. সফিকুল ইসলাম।
মূল সেতুর অগ্রগতি এখন সাড়ে ৯৬ শতাংশের বেশি। দেশের দীর্ঘতম এই সেতুতে কাজ করছেন ২ হাজার বিদেশিসহ মোট ৫ হাজার কর্মী।
Related News
বিদ্যুৎ নিয়ে সব জেলা পরিষদকে সরকারের নির্দেশনা
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: দেশের প্রতিটি জেলা পরিষদের নিজস্ব স্থাপনায় আগামী ২০২৭ সালের জানুয়ারির মধ্যে ছাদভিত্তিকRead More
প্রেসক্রিপশন ছাড়া বিক্রি করা যাবে না অ্যান্টিবায়োটিক
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: দেশে প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করতে কঠোর মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদারRead More



Comments are Closed