Main Menu

কলেজছাত্র রাহাত হত্যা, আদালতে সাদির স্বীকারোক্তি

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: সিলেটের দক্ষিণ সুরমা সরকারি কলেজের মেধাবী শিক্ষার্থী আরিফুল ইসলাম রাহাত হত্যা মামলার প্রধান আসামী শামসুদ্দোহা সাদী আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় সে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট (আমলি আদালত-২) মো. সুমন ভুইয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। এরপর আদালতের নির্দেশে তাকে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। আদালতের উদ্ধৃতি দিয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সিআইডি’র উপ-পরিদর্শক রিপন কুমার দেব এই তথ্য জানিয়েছেন।

আদালতে দেয়া জবানবন্দিতে সাদী জানায়, পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে না পেরে একসময় রাহাতের সাথে ভর্তি হয় সে। বয়সে বড় হলেও রাহাত নাম ধরে ডাকতো সাদীকে। সিনিয়র না মানায় সে তাকে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী রাহাতের উপর ছোরা দিয়ে হামলা করে।

গত বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) দক্ষিণ সুরমা সরকারি কলেজের গেটের সামনে খুন হন দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী আরিফুল ইসলাম রাহাত (১৮)। নিহত রাহাত দক্ষিণ সুরমা উপজেলার তেতলি ইউনিয়নের ধরাধরপুরের সৌদি প্রবাসী সুলাইমান মিয়ার একমাত্র পুত্র। হত্যাকান্ডের পরদিন শুক্রবার রাতে নিহত রাহাতের চাচা শফিফুল ইসলাম বাদী হয়ে ৩ জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এতে অজ্ঞাত আরও ৫-৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। এজাহারে উল্লেখ করা আসামীরা হচ্ছে, মোগলাবাজার থানার সিলাম টিকর পাড়ার মোবারক হোসেনের পুত্র শামসুদ্দোহা সাদী, সিলাম পশ্চিম পাড়ার জামাল উদ্দিনের পুত্র তানভীর আহমদ ও দক্ষিণ সুরমার তেতলি ইউনিয়নের আহমদপুর গ্রামের মৃত গৌছ মিয়ার পুত্র ওলিদুর রহমান সানী।

ঘটনার পর কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের চরাঞ্চলে আরেক আত্মীয়ের বাড়ীতে চলে যায় সাদি। এরপর সিআইডি তাকে গ্রেফতার করে ঢাকায় নিয়ে আসে। ঢাকা থেকে সিলেটে নিয়ে আসে সিআইডি। ২৮ অক্টোবর বৃহস্পতিবার ভোররাতে সাদীকে সিলেটে নিয়ে আসার পরই ছোরা উদ্ধারের জন্যে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এরপর তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকালে দক্ষিণ সুরমার হাজিপুর এলাকার রাস্তার পার্শ্ব থেকে কাঁদা মাটি মাখা ছোরাটি উদ্ধার করে সিআইডি।

Share





Related News

Comments are Closed