Main Menu
শিরোনাম
ছাতকে ১০ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল         ছাতকে প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার         বিশ্বনাথে দুই হত্যা মামলার প্রধান আসামী সাইফুল গ্রেপ্তার         কোম্পানীগঞ্জে বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যু         গোলাপগঞ্জে গৃহবধূকে ধর্ষণ, যুবক গ্রেপ্তার         শান্তিগঞ্জে পানিতে ডুবে দুই চাচাতো বোনের মৃত্যু         কামাল উদ্দিন রাসেল’র উপর মামলা প্রত্যাহারের দাবি         বিশ্বনাথে ‘ব্লাকমেইল’ করে গৃহবধুকে ধর্ষণ, ধর্ষক আটক         দক্ষিণ সুরমা কলেজে শিক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা         গোলাপগঞ্জে ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা সেবা অনুষ্ঠিত         জৈন্তাপুরে রেস্টুরেন্ট কর্মচারীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার         লাখাই থেকে ২৭২৫ পিস ইয়াবাসহ দু’জন আটক        

রাজশাহীতে ব্যবসায়ী রাজু হত্যা, ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: রাজশাহীর নিউ মার্কেট এলাকায় স্বর্ণ ব্যবসায়ী রাজু আহমেদকে হত্যার ঘটনায় পাঁচজনের ফাঁসি এবং ৯ জনকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১২ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজশাহীর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক অনুপ কুমার এই রায় ঘোষণার সময় ১৫ আসামির মধ্যে ১৪ জনই আদালতে উপস্থিত ছিলেন। একজন আসামি আগেই মারা যান।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন, রাজশাহীর দড়িখরবনা এলাকার সাজ্জাদ হোসেন সাজু, আজিজুর রহমান রাজন, রিংকু ওরফে গয়া, দুর্গাপুর ইসমাইল হোসেন ও বাগমারার মাদারীগঞ্জের মাহমুদুর রশীদ রেন্টু।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এন্তাজুল হক বাবু জানান, বাগমারার মাদারীগঞ্জে রাজু আহমেদের সঙ্গে জমি নিয়ে একই এলাকার মাহমুদুর রহমান রেন্টুর বিরোধ ছিল। সেখানে রাজুর স্বর্ণের দোকান ছিল। জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১০ সালে রাজুর কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন রেন্টু। চাঁদা না দিলে তার দোকান ভাঙচুর ও মারপিট করে।

পরে রাজু সেখান থেকে পালিয়ে এসে রাজশাহীর আদালতে মামলা করেন। এর জের ধরে মাহমুদুর রহমান রেন্টু রাজশাহীর দড়িখরবোনা এলাকার সাজ্জাদ হোসেন সাজু, আজিজুর রহমান রাজন, রিংকু ওরফে গয়া এবং দুর্গাপুরের ইসমাইল হোসেনকে নিয়ে রাজুকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।

২০১০ সালের ১৫ মার্চ তারা নিউমার্কেটের সামনে রাজুকে একটি রিকশায় তুলে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় রাজু রিকশায় না উঠলে তাকে রিংকু হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে। রাজু মাটিতে পড়ে গেলে রাজন ও সাজ্জাদ হোসেন সাজু বুকে ও পেটে চাকু দিয়ে আঘাত করে। এতে রাজু মারা যান।

পরে তার বাবা এছার উদ্দীন বাদী হয়ে ১৫ জনকে আসামি করে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন। কিন্তু আসামিরা উচ্চ আদালত থেকে মামলার স্থগিতাদেশ নেন। পরে আদালত ১৪ কর্ম দিবসের মধ্যে রায় ঘোষণার আদেশ দেন।

0Shares





Related News

Comments are Closed