নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে হল খুলছে ২৫ অক্টোবর
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: করোনাভাইরাস মহামারিতে দীর্ঘ দেড় বছরের বেশি সময় বন্ধ থাকার পর জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাককানইবি) শিক্ষার্থীদের জন্যে অগ্নি-বীণা ও দোলন-চাঁপা আবাসিক হল দুটি আগামী ২৫ অক্টোবরে খোলার ঘোষণা দিয়েছে প্রশাসন।
গত বৃহস্পতিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৭ তম একাডেমিক কাউন্সিলের সভা থেকে এ সিদ্ধান্ত আসে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফারেন্স কক্ষে হওয়া এ সভায় সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এইচ এম মোস্তাফিজুর রহমান। সভাটি সঞ্চালনা করেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ড. হুমায়ুন কবীর।
সরাসরি ক্লাসের ব্যাপারে সভায় সিদ্ধান্ত, শিক্ষার্থীদের সশরীরে ক্লাসে উপস্থিত হওয়ার বিষয়টি বিভাগের এখতিয়ারে রাখা হয়েছে। আগামী ২৫ অক্টোবর পরে থেকে বিভাগগুলো তাদের বিভাগীয় কমিটির সিদ্ধান্তের আলোকে সশরীরে শিক্ষার্থীদের ক্লাস নিতে পারবে।
৪২৮ সিট বিশিষ্ট অগ্নি-বীণা ও দোলন-চাঁপা হল দুটি খোলার তারিখ ঘোষণা করলেও খুলছে না নবনির্মিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল। এই হল দুটিতে উঠতে মুখিয়ে আছে প্রায় তিন হাজার শিক্ষার্থী। এই দুটি হলের জন্যে নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে, নীতিমালা প্রণয়ন শেষে হল দুটি খোলার বিষয়ে অতি শিগগিরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ইতিমধ্যে, হল দুটির জন্যে প্রভোস্ট ও হাউস টিউটর নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। হলের জন্যে অন্যান্য জনবল নিয়োগের ব্যাপারেও কাজ চলমান রয়েছে।
এছাড়া, শিক্ষার্থীদের করোনাকালীন একাডেমিক কার্যক্রমের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে বিভাগগুলো একাডেমিক ক্যালেন্ডার তৈরি পূর্বক নির্ধারিত বিভিন্ন ছুটি কাটসাট করেও শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সার্বিক বিষয়ে প্রক্টর অধ্যাপক ড. উজ্জ্বল কুমার প্রধান সময় নিউজকে জানান, দুর্গাপূজার ছুটি ও গুচ্ছ পরীক্ষার বিষয় মাথায় রেখে হল খোলার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। সরাসরি ক্লাসের তারিখ ঘোষণা না হলেও, হল খুলে দেওয়া মানে বলা যায় পরপরই অন্যান্য শিক্ষা কার্যক্রম সচল হয়ে যাওয়া, সরাসরি ক্লাসের ব্যাপারে বিভাগগুলো সিদ্ধান্ত নেবে এমন এখতিয়ার তাদের দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত বিভিন্ন ছুটি কাটসাট করেও শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার কাজ চলছে। সভায় সিদ্ধান্তের আলোকে নবনির্মিত হল দুটি খোলার ব্যাপারেও আমরা দ্রুত সময়ে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেব।
করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে এই বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হওয়ার পর থেকে সচল ছিল অনলাইন ক্লাস। শিক্ষার্থীদের জন্যে আয়োজন করা হয় সশরীরে পরীক্ষা। বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষে যা এখনো চলমান রয়েছে।
Related News
সিলেটে এইচএসসিতে ৩ প্রতিষ্ঠানের সবাই ফেল, শতভাগ পাস ৬টিতে
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেট শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেরRead More
সিলেট বোর্ডে এইচএসসিতে পাসের হার ৫০.৯০ শতাংশ
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় সিলেট শিক্ষা বোর্ডে পাসের হারRead More



Comments are Closed