Main Menu

ইরাকে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা, ১৩ পুলিশ নিহত

Manual4 Ad Code

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইরাকের উত্তরাঞ্চলে সন্ত্রাসী হামলায় অন্তত ১৩ পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও অন্তত ৩ জন।

পুলিশ জানায়, রোববার (৫ সেপ্টেম্বর) কিরকুক শহরের ৬৫ কিলোমিটার দূরে আল রাশাদ এলাকায় একটি নিরাপত্তাচৌকিতে হামলা চালায় ইসলামিক গোষ্ঠী আইএস। পুলিশ আইএসকে দায়ী করলেও সংগঠনটি এখন পর্যন্ত হামলার দায় স্বীকার করেনি।

সম্প্রতি ইরাকে নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে হামলার ঘটনা বেড়েছে। যার বেশির ভাগের দায় স্বীকার করেছে ইসলামিক গোষ্ঠীটি।

ইরাকের এক জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা জানান, কিরকুক শহরের ৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণে আল রাশাদ এলাকায় হামলাটি চালানো হয়। খবর এএফপির।

Manual1 Ad Code

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ইরাকি পুলিশের ওই কর্মকর্তা বলেন, তল্লাশিচৌকিতে জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস) হামলা চালিয়েছে। হামলায় হতাহত ব্যক্তিদের মধ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য রয়েছেন।

Manual5 Ad Code

এর আগে ৫ আগস্ট ইরাকের আদদিওয়ানিয়া প্রদেশের কাসরুল সুলতান রেস্টুরেন্টের কাছে মার্কিন সেনাবাহিনীর লজিস্টিক ইকুইপমেন্ট বহনকারী গাড়ি বহরে হামলার শিকার হয়।

Manual2 Ad Code

তবে হামলায় কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা জানা যায়নি। সীমান্ত পথে বিভিন্ন কোম্পানির সহযোগিতায় কুয়েত থেকে ইরাকে অস্ত্র নিয়ে আসছে মার্কিন বাহিনী।

Manual2 Ad Code

ইরাকে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও সামরিক বহরে হামলার ঘটনা সম্প্রতি বেড়েছে। ইরাকের জনগণ ও রাজনৈতিক দলগুলো সেদেশে মার্কিন সেনা উপস্থিতির বিরোধিতা করছে। তারা সেদেশ থেকে অবিলম্বে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার চায়।

ইরাকের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও রাজনীতিবিদ নুরি আল মালিকি কিছু দিন আগে ঘোষণা করেছেন, সেদেশে বিদেশি সেনাদের কোনো প্রয়োজন নেই। ইরাকে তৎপর জঙ্গিগোষ্ঠীগুলোর প্রতি মার্কিন বাহিনী সমর্থন ও সহযোগিতা দিয়ে থাকে বলে অভিযোগ রয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে একদিকে ইরান, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও উপসাগরীয় দেশগুলোর প্রভাব বিস্তারের দ্বন্দ্বের কেন্দ্রভূমিতে পরিণত হয়েছে ইরাক। এখানে মার্কিন বাহিনীর ওপর যেমন হামলার ঘটনা ঘটছে, তেমনি ইরান ও ইরাকি আধাসামরিক বাহিনীর কমান্ডারকে ড্রোন হামলা চালিয়ে হত্যা করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

এই কোন্দলের কারণে বৈশ্বিক তেল সরবরাহও ব্যাহত হচ্ছে। বছর দুয়েক আগে সৌদি তেল স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বৈশ্বিক তেল সরবরাহের বড় একটা অংশ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। ওই হামলার জন্য দায়ী করা হচ্ছে ইরানকে। যদিও সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে তেহরান।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code