Main Menu
শিরোনাম
‘এক্সেস লাগেজ’ জটিলতায় সেই নারীর ফ্লাইট মিস : বিমান         দশ হাসপাতাল ঘুরে বিয়ানীবাজারে বৃদ্ধার মৃত্যু         ইনসাফ ওয়েলফেয়ারের বৃক্ষরোপন ও চারা বিতরণ         প্রবাসী জামিলা চৌধুরীর সাথে মাবাফা নেতৃবৃন্দের স্বাক্ষাৎ         সিলেটে আইসিইউ ও ১ হাজার শয্যা বাড়ানোর দাবি         জৈন্তাপুরে ওপার থেকে নদীপথে আসছে টমেটোর চালান         ওসমানীতে যাত্রী হয়রানি, দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা         স্ত্রীকে বস্তাবন্দি করে নদীতে ফেলার চেষ্টা স্বামীর         সিলেটে করোনায় আরো ৯ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৩৪০         বিশ্বনাথে খেলনার ‘বেহালা’য় হাছু মিয়ার জীবন সংগ্রাম         সেই নারীর লন্ডন যাওয়ার ব্যবস্থা করল বিমান         সাবেক এমপি মিলন-এর রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল        

ইসলামকে মুছে ফেলতে চাইছে চীন: অ্যামনেস্টির রিপোর্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল চীনের উইঘুরদের নিয়ে নতুন প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বিবিসি। বৃহস্পতিবার (১০ জুন) ‘আমরা যেন যুদ্ধের শত্রুপক্ষ’ শিরোনামের ১৬০ পাতার এই প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়, চীন ইসলামকে মুছে ফেলতে চাইছে।

বিবিসি জানায়, ২০১৯ সালের অক্টোবর থেকে এ বছরের মে পর্যন্ত এ গবেষণা পরিচালনা করেছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। এই প্রতিবেদনে ১২৮ জনের সাক্ষাৎকার রয়েছে। তার মধ্যে ৫৫ জন চীনের উইঘুর শিবিরে ছিলেন। আর ৬৮ জন সেই সব পরিবারের সদস্য, যাদের কেউ হারিয়ে গেছেন বা আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে অ্যামনেস্টি।

রিপোর্টে তারা জানিয়েছে, শিনজিয়াং-এ ১০ লাখের বেশি মানুষকে শিবিরে পাঠানো হয়েছে। উইঘুর মুসলিমদের ভয় দেখানোর জন্য চীন তাদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক স্থানগুলো বন্ধ করে দিয়েছে। অ্যামনেস্টিকে প্রচুর সাক্ষী জানিয়েছেন, চীন ইসলামকেই মুছে ফেলতে চায়।

সাক্ষাৎকারে অনেকে বলেছেন, মসজিদ ভেঙে ফেলা হয়েছে। মসজিদে ও মুসলিমদের বাড়িতে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ছবি লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে জানিয়েছেন তারা।

অ্যামনেস্টি প্রতিবেদনে আরও জানায়, কোনো রকম সতর্কতা ছাড়াই উইঘুরদের মাঝরাতে বাড়ি থেকে তুলে শিবিরে নিয়ে যাওয়া হয়। তাদের চীনের তৈরি সেসব তথাকথিত শিক্ষা-শিবিরে নিয়ে যাওয়া হয় এবং জোর করে নিজেদের অপরাধের কথা স্বীকার করানো হয়।। তারপর তাদের মধ্যে কিছু মানুষকে শিবিরে রাখা হয়, কারণ দেখানো হয়— তারা সন্ত্রাসবাদী সেই সঙ্গে তাদের বাইরে রাখলে পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার অজুহাতে আটক রাখা হয়।

যাদের শিবিরে আটকে রাখা হয়েছিল, তাদের কয়েকজন মানবাধিকার সংস্থাটিকে জানান, ওই কথিত শিক্ষা শিবিরের অবস্থা চীনের কারাগারের থেকেও খারাপ। তাদের কথিত সংশোধন-ক্লাসে যেতে হয়। তার আগে সারা দিন তাদের বসিয়ে রাখা হয়। সেখানে চীনের তৈরি ইসলামের ‘খারাপ’ দিকগুলো নামের শিক্ষা বাধ্যতামূলকভাবে শিখতে হয়।

এ রিপোর্ট প্রসঙ্গে অ্যামনেস্টির সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাগনেস ক্যালামার্ড জানান, উইঘুরদের বিরুদ্ধে যাবতীয় অত্যাচার ও তাদের হেনস্তা করা বন্ধ করতে হবে। জাতিসংঘের সেক্রেটারি জেনারেল আন্তোনিও গুতেরেসকে তারা জানাবেন, চীন বেআইনি কাজ করেছে এবং তা অবিলম্বে বন্ধ হওয়া দরকার। অ্যাগনেস ক্যালামার্ড ডয়চে আরো জানান, “এই প্রতিবেদনে সকল তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, যাতে প্রমাণ হয়েছে চীন মানবতার বিরুদ্ধে যে অপরাধ করেছে। আমরা যে তথ্যপ্রমাণ দিয়েছি, তারপর চুপ করে থাকা মুশকিল।”

এর আগে উইঘুর মুসলিম জনসংখ্যা আগামী ২০ বছরে এক-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে বলে এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বিবিসি। তারা জানায়, চীনে জন্মনিয়ন্ত্রণের জন্য যে নীতি রয়েছে তাতে এমনটা হতে পারে। বিবিসি জানায়, জার্মানির একজন গবেষক অ্যাডরিন জেনজ সম্প্রতি এক নতুন বিশ্লেষণের মাধ্যমে এ তথ্য তুলে ধরেছেন। ওই গবেষক দেখিয়েছেন, চীন সরকারের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য আঞ্চলিক নীতির কারণে জিনজিয়াংয়ে বসবাসরত সংখ্যালঘুদের জনসংখ্যা আগামী ২০ বছরে ২৬ লাখ থেকে ৪৫ লাখ পর্যন্ত কমে যেতে পারে।

 

0Shares





Related News

Comments are Closed