Main Menu
শিরোনাম
সিলেটে আরও ১৯ জনের করোনা শনাক্ত, সুস্থ ২৩         এসএসসি ২০০২ ব্যাচের শীতবস্ত্র বিতরণ         জৈন্তাপুরে ৪৪৫ পিস ইয়াবাসহ ১জন গ্রেপ্তার         সিলেটে আরও ১৫ জনের করোনা শনাক্ত         বাগলী স্থল শুল্ক ষ্টেশনে মানববন্ধন অনুষ্টিত         জুড়ীতে আগুনে পুড়ল ৬টি দোকান         সিলেটে করোনায় আরও এক মৃত্যু, শনাক্ত ১০         বিশ্বনাথে ঐতিহ্যবাহী ‘পলো বাওয়া’ উৎসব পালিত         জৈন্তাপুরে এসএসসি-২০০২ ব্যাচের শীতবস্ত্র বিতরণ         কুলাউড়া পৌরসভায় আ.লীগ প্রার্থী সিপারের জয়         জগন্নাথপুরে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী আক্তার জয়ী         কমলগঞ্জে দ্বিতীয় মেয়াদে মেয়র হলেন জুয়েল আহমদ        

স্কুল খুলে দেয়ার পক্ষে ইউনিসেফ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: লকডাউনের ক্ষেত্রে, কর্তৃপক্ষ বিধিনিষেধ উঠিয়ে নিতে শুরু করার পর অবশ্যই স্কুল খুলে দেয়া উচিত বলে মনে করেন জাতিসংঘ শিশু তহবিল বা ইউনিসেফ। দূরশিক্ষণ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে না পারা শিক্ষার্থীরা যাতে পিছিয়ে না থাকে তা নিশ্চিত করার জন্য ঘাটতি পূরণে বাড়তি ক্লাস নেয়াকে অগ্রাধিকার দেয়া উচিত বলে মনে করছে সংস্থাটি।

মঙ্গলবার (১২ জানুয়ারী) এক বিবৃতিতে ইউনিসেফ নির্বাহী পরিচালক হেনরিয়েটা ফোর জানান, আমরা যেহেতু কোভিড-১৯ মহামারীর দ্বিতীয় বছরে প্রবেশ করেছি এবং বিশ্বজুড়ে সংক্রমণের হার বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে, তাই স্কুলগুলো খোলা রাখতে বা পুনরায় খোলার পরিকল্পনায় অগ্রাধিকার দিতে কোনো প্রচেষ্টাই বাদ দেয়া উচিত হবে না।

শিশুদের ওপর স্কুল বন্ধের বিরূপ প্রভাবের বিষয়ে অভূতপূর্ব প্রমাণ এবং স্কুলগুলো মহামারীর বিস্তারে অংশ নয় বলে জোরালো নজির থাকা সত্ত্বেও অনেক দেশই স্কুলগুলো বন্ধ রেখেছে। এতে করে স্কুল-কেন্দ্রিক খাবারের অভাবে শিশুরা ক্ষুধার্তই থেকে যাচ্ছে এবং এতে তাদের পুষ্টিগত অবস্থা খারাপের দিকে ধাবিত হচ্ছে। সমবয়সীদের সাথে প্রতিদিনের যোগাযোগের অভাব এবং চলাফেরা কমে যাওয়ায় শিশুরা শারীরিক সুস্থতা হারাচ্ছে এবং তাদের মানসিক অসুস্থতার লক্ষণ দেখা দিচ্ছে বলে মনে করেন হেনরিয়েটা।

তিনি জানান, মহামারীর চূড়ান্ত পর্যায়ে লকডাউনের কারণে স্কুল বন্ধ থাকায় বিশ্বব্যাপী ৯০ শতাংশ শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যেখানে স্কুলগামী শিশুদের এক তৃতীয়াংশই দূরশিক্ষণ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ পায়নি। ফলে স্কুলগুলো বন্ধ রাখায় তা বিপর্যয় নিয়ে এনেছে।

যদি আরো এক বছর শিশুদের স্কুল বন্ধ থাকার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয় তবে প্রজন্মান্তরে তার ফল ভোগ করতে হবে বলে সতর্ক করে দেন হেনরিয়েটা ফোর।

স্কুলের কার্যক্রম পরিচালনার সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে স্থানীয় পর্যায়ে সংক্রমণের ঝুঁকি নিরূপণ মূল নির্ধারক হওয়া উচিত জানিয়ে ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক বলেন, যখনই সম্ভব দেশজুড়ে স্কুল বন্ধের সিদ্ধান্ত পরিহার করা উচিত। যেসব স্থানে উচ্চ মাত্রায় কমিউনিটি সংক্রমণ রয়েছে, যেখানে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা চরম চাপের মধ্যে রয়েছে এবং যেখানে স্কুল বন্ধ রাখা অত্যাবশ্যক হয়ে দাঁড়ায়, সেসব স্থানে সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেয়া উচিত।

0Shares





Related News

Comments are Closed