Main Menu

করোনায় ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শহীদ উল্লাহর মৃত্যু

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের সদ্য বিদায়ী পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. শহীদ উল্লাহ। শনিবার (২৫ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে ঢাকায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা জানান, ‘গত এক মাস থেকে তিনি গুরুতর অসুস্থ ছিলেন। তিনি গত ২৫ জুন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন, আজ মারা গেলেন।’

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. শহীদুল্লাহ সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের (২০তম ব্যাচ) প্রাক্তন শিক্ষার্থী। তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন (বিএমএ)-এর সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন ও মহাসচিব ডা. ইহতেশামুল হক চৌধুরী।

বিএমএর বিবৃতিতে বলা হয়, করোনাভাইরাসে তিনি ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন।

গত ৩০ মে কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের (সিএমডি) বিদায়ী পরিচালক (ভান্ডার ও সরবরাহকারী) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. শহীদুল্লাহ জনপ্রশাসন সচিবকে চিঠি দেন। ওই চিঠিতে তিনি সিএমএসডিসহ গোটা স্বাস্থ্য খাতকে ‘সিন্ডিকেট বাণিজ্যমুক্ত’ করার অনুরোধ জানান।

চিঠিতে সিএমএসডিসহ স্বাস্থ্য খাতে ঠিকাদার চক্রের ইশারায় বদলি, পদায়নসহ নানা বিষয় তুলে ধরেন। এ ছাড়া করোনাকালে স্বাস্থ্যসেবায় সমন্বয়হীনতার চিত্র উঠে আসে তার চিঠিতে। এতে এই সেনা কর্মকর্তা সিএমএসডির ক্রয় প্রক্রিয়ায় সরকারি এবং সাপ্লাইয়ার (ঠিকাদার) পরিবেষ্টিত দুষ্টচক্র বা সিন্ডিকেট বাণিজ্যের আধিপত্য সম্পর্কেও তথ্য দিয়েছেন।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. শহীদ উল্লাহ কেন্দ্রীয় ঔষধাগার তথা সেন্ট্রাল মেডিকেল স্টোরস ডিপোর (সিএমএসডি) সদ্য সাবেক পরিচালক। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের শুরুর দিকে সিএমএসডি থেকে নকল এন-৯৫ মাস্ক সরবরাহ নিয়ে আলোচনা সমালোচনার মধ্যে গত ২২ মে মো. শহীদ উল্লাহকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছিল সরকার।

শুরুর দিকে চিকিৎসা সরঞ্জাম দিয়ে আলোচনা-সমালোচনার পর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় তদন্ত কমিটি গঠন করে। সেই কমিটি বিষয়টি তদন্ত করে মে মাসের শেষে সরকারকে প্রতিবেদন দেয়। তবে কেলেঙ্কারিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এখনও প্রকাশ করা হয়নি তদন্ত প্রতিবেদনও।

Share





Related News

Comments are Closed