চাঁদ দেখা যায়নি, ১ আগস্ট ঈদুল আজহা
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক : দেশের কোথাও আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে বুধবার জিলকদ মাস পূর্ণ হবে। অর্থ্যাৎ বৃহস্পতিবার থেকে থেকে জিলহজ মাস শুরু হবে। সে হিসেবে ১০ জিলহজ অর্থ্যাৎ ১ আগস্ট দেশে পবিত্র ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ উদযাপিত হবে।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সন্ধ্যায় রাজধানীর বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির সহ-সভাপতি ও ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নূরুল ইসলাম।
বৈঠকে বলা হয়, আজ ২১ জুলাই (মঙ্গলবার) বাংলাদেশের আকাশে জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। সে অনুযায়ী ২৩ জুলাই (বৃহস্পতিবার) থেকে শুরু হচ্ছে জিলহজ মাস। আর ১ আগস্ট (শনিবার) উদযাপিত হবে পবিত্র ঈদুল আজহা।
জিলহজ মাসের ১০ তারিখে মুসলমানরা তাদের অন্যতম বড় এই ধর্মীয় উৎসবে পশু কোরবানি দেন, যার মধ্য দিয়ে নিজের ভেতরের কলুষতাকে বর্জন এবং সৃষ্টিকর্তার সন্তুষ্টি লাভই ইসলামের শিক্ষা।
এর আগে গতকাল সোমবার (২০ জুলাই) সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের আকাশে পবিত্র জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। তাই মধ্যপ্রাচ্যে বুধবার থেকে জিলহজ মাস শুরু হবে। সে হিসেবে জিলহজ মাসের ৯ তারিখে অর্থাৎ ৩০ জুলাই পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। আর পরদিন ৩১ জুলাই মধ্যপ্রাচ্যে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন হবে।
সভায় ধর্ম সচিব জানান, সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, আবহাওয়া অধিদফতর, মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র, দূর অনুধাবন কেন্দ্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী রোববার বাংলাদেশের আকাশে কোথাও হিজরি ১৪৪১ সনের জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। বুধবার (২২ জুলাই) জিলকদ মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হচ্ছে। জিলহজ মাস গণনা শুরু হবে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই)। আগামী ১ আগস্ট (১০ জিলকদ) শনিবার দেশে ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে।
ঈদুল আজহা অনুষ্ঠিত হওয়ার সময়ই লাখ লাখ মুসলমান সৌদি আরবের পবিত্র ভূমিতে হজব্রত পালনরত অবস্থায় থাকেন। হাজিরা ঈদের দিন সকালে কোরবানি দেন। কিন্তু করোনার কারণে এবার বাইরের দেশ থেকে হজ করতে যাওয়ার সুযোগ বাতিল করেছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। হজের সুযোগ পাবে শুধু সৌদি আরবের বাসিন্দা এবং দেশটিতে বসবাসরত বিদেশিরা।
এবার ঈদে ৩১ জুলাই, ১ ও ২ আগস্ট সরকারি ছুটি থাকবে। এরমধ্যে ৩১ জুলাই ও ১ আগস্ট পড়েছে সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্র ও শনিবার।
প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, গ্রামের বাড়িতে প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে রেল, সড়ক ও নৌপথে রাজধানী ছাড়েন অসংখ্য মানুষ। গত ঈদুল ফিতরের সময় গণপরিবহন বন্ধ ছিল। করোনা পরিস্থিতির তেমন উন্নতি না হলেও এখন স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহন চলছে। তাই নিয়ম মেনে বাস, ট্রেন ও লঞ্চে ঈদুল আজহায় বাড়ি ফেরা যাবে।
Related News
দুরুদ শরীফ: অন্তরের প্রশান্তির সুখ
আতিকুর রহমান নগরী: মানুষের জীবনে আত্মিক প্রশান্তি, নৈতিকতা ও মূল্যবোধের গুরুত্ব অপরিসীম। ধর্মীয় বিশ্বাসের আলোকেRead More
ইসলামে সদকা বা দান-সদকার ফজিলত অপরিসীম
হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী: নাহমাদুহু ওয়া নুসাল্লি আলা রাসূলিহিল কারীম, আম্মা বা’দ, ইসলামে সদকা বাRead More



Comments are Closed