Main Menu
শিরোনাম
সিলেটে আমদানি নিষিদ্ধ ভারতীয় ঔষধসহ গ্রেপ্তার ১         বিশ্বনাথে দেড় মাসে ২ হত্যা ১ গণধর্ষণ ৫ আত্মহত্যা         সিলেটে করোনায় আক্রান্ত বেড়ে ৯০৫০, মৃত্যু ১৬১         সিলেটে বাস চাপায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু         সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের কাজ দ্রত শুরুর তাগিদ         সিলেটে করোনায় আক্রান্ত বেড়ে ৮৯১৭, মৃত্যু ১৫৭         কানাইঘাটে একসাথে তিন সন্তান প্রসব         জকিগঞ্জে গৃহবধুর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী আটক         সিলেটে নব্য জেএমবির ৫ শীর্ষ নেতা আটক         সিলেটের দুই ল্যাবে আরো ১৬৪ জনের করোনা শনাক্ত         জকিগঞ্জে বিয়ের প্রলোভনে কিশোরীকে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২         রাজনগরে সড়কে প্রাণ গেল ছাত্রলীগ নেতার        

ধলাই নদীর চর খননে গচ্ছা সাড়ে ৪ কোটি টাকা

কমলগঞ্জ প্রতিনিধি : মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ধলাই নদীর অপরিকল্পিত চর খনন কাজে সরকারের সাড়ে ৪ কোটি টাকা গচ্ছা গেছে। তবে মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রনেন্দ্র শংকর চক্রবর্তী গচ্ছা যাওয়ার কথা স্বীকার করতে নারাজ।

জানা যায়, উপজেলার বুকদিয়ে প্রবাহিত ধলাই নদীর গুরুত্বপূর্ণ বাঁকসমুহে বালুর চর জমে নদীর নাব্যতা কমে যায়। আঁকাবাঁকা ও ‘ইউ’ আকৃতির ধলাই নদীতে অসংখ্য চর থাকার ফলে বর্ষা মৌসুমে পানি প্রবাহে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয়। অল্প বর্ষণেই উজানের পাহাড়ি ঢলে ধলাই নদী ফুলেফেঁপে উঠে। প্রবল স্রোতে বাঁক ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধে ভাঙন দেখা দেয়। নদীর ভাঙনে বাড়িঘর, ফসলি জমি ও গ্রাম্য রাস্তাঘাটের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে।

উপজেলাবাসীর দীর্ঘ দিনের দাবীর প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার খাল, জলাশয় ও নদী পুন:খনন প্রকল্পের (১ম পর্যায়ের) আওতায় মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ড বন্যা সমস্যা থেকে উত্তরণে ও ধলাই নদীর স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনতে ২২টি স্থান চিহ্নিত করে চর খনন প্রকল্প হাতে নেয়।

জানা যায়, ৪ কোটি ৫৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ৩টি প্যাকেজে ঢাকার আরাধনা এন্টারপ্রাইজ চর খননের কাজ পায়। চর কাটার কাজের নির্দেশনাপত্র হলেও নানা জটিলতায় কিছুটা বিলম্বে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে আংশিক কাজ শুরু হয়ে চলতি বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি পৌরসভার আলেপুর (উজিরপুর) এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে কাজের উদ্বোধন করেন কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল সংসদীয় আসনের সাংসদ, সাবেক চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ এমপি।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ধলাই নদীর বিভিন্ন স্থানে ২২টি বড় চর অপসারণ কাজ করলেও লাভের লাভ কিছুই হয়নি। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অপরিকল্পিত চর খননের কারণেই অপসারণকৃত চর এলাকায় পুণরায় আগের চেয়ে আরো বড় আকারে চর জেগে উঠেছে। নতুন করে হুমকির সম্মুখীন হয়েছে নদীর পাড়ে বসবাসকারী ও স্থানীয় কৃষকরা।

এ ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ড, মৌলভীবাজার এর নির্বাহী প্রকৌশলী রনেন্দ্র শংকর চত্রুবর্তীর বলেন, বর্ষা মৌসুম থাকায় এবং নদীতে পানি বৃদ্ধি পেয়ে কিছু কিছু স্থানে পুনরায় চর দিয়েছে। যতটুকু কাজ সরেজমিন পাওয়া যাবে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে ততোটুকুই বিল দেওয়া হবে।

0Shares





Related News

Comments are Closed