Main Menu

কোয়ারেন্টাইন মুক্ত হলেন ডা. ফেরদৌস খন্দকার

Manual5 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: রাজধানীর আশকোনা হজ্জ ক্যাম্পে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিন পালন শেষে মুক্ত হলেন বাংলাদেশে করোনায় আক্রান্তদের চিকিৎসা দিতে আসা যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের মাউন্ট সিনাই হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. ফেরদৌস খন্দকার।

Manual4 Ad Code

রোববার (২১ জুন) সকাল ১০টার দিকে তার নিজস্ব ফেসবুক পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে তিনি এ কথা বলেন। তিনি ফেসবুকে স্ট্যাটাসে লেখেন, কোয়ারেন্টিনমুক্ত হলাম আমি। কেটে গেল ১৪টি দিন। সময়তো কাটবেই। থেকে যাবে কেবল স্মৃতি। এ মুহূর্তে কোনো অভিযোগ নয়, কেবল ধন্যবাদই দিতে চাই সবাইকে। যারা গত ১৪টি দিন আমার সঙ্গে ছিলেন। বিভিন্নভাবে সহায়তা দিয়েছেন, মানসিকভাবে শক্ত থাকতে প্রেরণা জুগিয়েছেন। তবে এ কথা আমাকে বলতেই হবে যে, শুরুটা বেশ কঠিনই ছিল আমার জন্য। আমার বিরুদ্ধে ‘অহেতুক’ ও ‘মিথ্যা অভিযোগে’ বিরাট ঝড় উঠেছিল। সব ভুল প্রমাণিত হয়েছে। ঝড়ও হয়তো থেমে গেছে।

তিনি ফেসবুক স্ট্যাটাসে আরও লেখেন, দেশে আসার পর আমাকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে দেওয়া হয়েছে; এ বিষয়টি আমি প্রথম পাঁচদিন মানতেই পারছিলাম না। কেননা আমার এন্টিবডির সনদ ছিল। তখন মানসিকভাবে রীতিমতো বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছিলাম। পরিবার, সহকর্মী, বন্ধু, সুধীজন, ছাত্রলীগের সহযোদ্ধারা, সাংবাদিক এবং দেশের মানুষের সহায়তা ও সমর্থন আমাকে সাহস জুগিয়েছে।

‘দেশে এসেছিলাম কয়েক সপ্তাহ দেশবাসীর জন্য কাজ করবো বলে। সঙ্গে ছোট্ট একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র গড়ে তুলে যাবো, এমন আশা ছিল। সেই লক্ষ্যেই দুই থেকে তিন সপ্তাহের জন্য এসেছিলাম। যদিও সময় কিছুটা ক্ষেপণ হয়ে গেছে। এরপরও আমি মনে করি, কোনো আক্ষেপ নেই আমার। দ্রুততম সময়ের মধ্যে কিছুটা কাজ করে এবার চলে যেতে চাই। তবে সঙ্গে নিয়ে যাবো গত দু’টি সপ্তাহে ঘটে যাওয়া অনেক কিছু ও অভিজ্ঞতা। বিশেষ করে যেসব সৈনিক ভাইয়েরা আমার সঙ্গে ছিলেন, তারা অনেক ভালোবাসা দিয়েছেন। অনেক সহযোগিতা করেছেন। আপনাদের মমতা কোনোদিন ভুলবার নয়। সেসঙ্গে কুয়েত প্রবাসী কিছু ভাই শেষের দিকে কোয়ারেন্টিনে যোগ দিয়েছিলেন। তাদের ভালোবাসায় ভরা স্মৃতিগুলোও বাকি জীবন আমার সঙ্গে থাকবে। কখনো যদি দেখা হয়, নিশ্চয়ই ভালো লাগবে, বুকে জড়িয়ে ধরবো আপনাদের। দেখা না হলেও আপনাদের আমার সবসময় মনে থাকবে।’

Manual8 Ad Code

দেশের প্রতি ভালোবাসার কথা উল্লেখ করে ডা. ফেরদৌস খন্দকার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লেখেন, দেখুন আমি অতি সাধারণ একজন চিকিৎসক। তবে দেশকে, দেশের মানুষকে খুব ভালোবাসি। এসেছিলাম, দুর্যোগের এ সময়টায় কেবলই দেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য। কোনো রাজনৈতিক অভিলাষ বা ইচ্ছা আমার ছিল না; নেইও। ফলে যারা তেমনটি ভেবেছিলেন, আশা করছি আপনাদের ভুলটা ভেঙেছে। বাংলাদেশের চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী ও সম্মুখসারির যোদ্ধারা করোনার এ সময়টায় রীতিমতো জীবন বাজি রেখে লড়াই করছেন। তাদের আত্মত্যাগ এ জাতি সবসময়ই মনে রাখবে। সামনের দিনগুলোতেও তারা এমনিভাবে লড়ে যাবেন বলে আমার বিশ্বাস।

Manual2 Ad Code

‘আমি এ মুহূর্তে স্বাস্থ্য বিষয়ক ছোট্ট একটি সেটআপ করে দ্রুতই নিউইয়র্কে ফিরে যাবো। কারো বিরুদ্ধে আমার কোনো অভিযোগ নেই। মায়ের বিরুদ্ধে সন্তানের কোনো অভিযোগ থাকে না। আমারো নেই। আবারো দেখা হবে। ভালোবাসি বাংলাদেশকে। সবাই ভালো থাকুন। নিরাপদে থাকুন। আপনাদের মঙ্গল হোক।’

Manual1 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code