Main Menu

গাজীপুরে একই পরিবারের চারজনকে গলা কেটে হত্যা

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: গাজীপুরে প্রবাসীর স্ত্রী ও তার তিন সন্তানকে গলাকেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শ্রীপুর উপজেলার আবদার এলাকার একটি ভবনের দোতলার একটি ঘরে খাটের ওপর দুই সন্তান এবং মেঝেতে এক সন্তান ও মায়ের মরদেহ পড়েছিল।

খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিকেল ৪টার দিকে লাশ উদ্ধারের জন্য ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে পুলিশ।

নিহতরা হলেন- ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার গোলবাড়ী এলাকার প্রবাসী কাজল মিয়ার স্ত্রী ফাতেমা বেগম (৪০), এবং তাদের দুই মেয়ে নূরা (১৬) ও হাওরিন (১১) এবং ছেলে ফাদিল (৭)।

পুলিশ জানায়, শ্রীপুরের আবদার এলাকায় মালয়েশিয়া প্রবাসী কাজলের স্ত্রী ফাতেমা তার দুই মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে দোতলা বাড়ির ওপরের ফ্ল্যাটে থাকেন। দুপুরে ফাতেমার দেবর আরিফ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের বাজার নিয়ে বাসায় যান।

তখন অনেক ডাকাডাকি করে সাড়াশব্দ না পেয়ে জানালা দিয়ে ফাতেমা, শিশু ছেলে ফাদিল এবং তার ১৬ ও ১৩ বছরের দুই মেয়ের লাশ দেখতে পান। পরে দরজা ভেঙ্গে ঘরে ঢুকে পেছনের একটি জানালা ভাঙ্গা অবস্থায় দেখতে পান তিনি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিয়াকত আলী চারজনের লাশ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পুলিশ মাত্র ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করেছে। কী কারণে কারা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) রাতের যেকোনো সময় এই হত্যাকাণ্ডটি ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে ওসি বলেন, এলাকাবাসী ওই বাড়ির ঘরে গিয়ে দরজা ধাক্কালেও ভেতর থেকে কোনো শব্দ পাওয়া যাচ্ছিল না। তখন তারা পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধারের জন্য ঘটনাস্থলে যায়।

স্থানীয় ইউপি সদস্য তারেক হাসান বাচ্চু জানান, প্রায় ১৫ থেকে ২০ বছর আগে ইন্দোনেশিয়ায় ছিল কাজল মিয়া। তখন ওই দেশের নাগরিক ফাতেমা আক্তারকে বিয়ে করে বাংলাদেশ নিয়ে আসেন। ওই বাড়িতেই বসবাস করে আসছিল তার স্ত্রী সন্তানেরা। কাজল মিয়া বর্তমানে মালয়েশিয়া প্রবাসী। বৃহস্পতিবার দুপুরে বাড়ির ভেতর গলাকাটা রক্তাক্ত তাদের চার জনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন।

Share





Related News

Comments are Closed