Main Menu

করোনার ‘লক্ষণ নিয়ে’ দেশে ৫ জনের মৃত্যু

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সুখবর হলো দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় কেউ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হননি। এ নিয়ে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো দেশে নতুন কারো দেহে কভিড-১৯ রোগের সংক্রমণ শনাক্ত হয়নি বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান-আইইডিসিআর।

তবে করোনা ভাইরাসের লক্ষণ নিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে ৫ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে বরিশালে ২ জন, পটুয়াখালীতে এক, নওগাঁয় এক এবং মানিকগঞ্জে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সবার মধ্যে করোনা ভাইরাসের প্রাথমিক উপসর্গ ছিলো। তাই তাদের নমুন সংগ্রহ করেছে আইইডিসিআর।

বরিশালে করোনা ইউনিটে নারীসহ ২ জনের মৃত্যু
করোনা ইউনিটে করোনা ভাইরাসের লক্ষণ নিয়ে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের এক নারীসহ দুজনের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (২৯ মার্চ) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ৪৫ বছর বয়সী রোগীর মৃত্যু হয়। তার বাড়ি পটুয়াখালী সদর উপজেলায়। এর মাত্র ৭ ঘণ্টা আগে শনিবার (২৮ মার্চ) রাত ১২টার দিকে এই হাসপাতালে ভর্তির পর ৪৫ বছর বয়সী এক নারীকে করোনা ইউনিটে নেওয়ার পর পরই তিনি মারা যান।

হাসপাতালের পরিচালক ডা. বাকির হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, পটুয়াখালীর সদর উপজেলার গোহানগাছিয়া গ্রামের এক রোগী পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে রেফার করার পর শনিবার সন্ধ্যায় বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাকে প্রথমে মেডিসিন ইউনিটে নেয়া হলেও পরে রাতেই করোনা ইউনিটে স্থানান্তর করা হয় এবং আজ সকাল ৭টা ২০ মিনিটে তার মৃত্যু হয়।

পটুয়াখালীতে করোনা সন্দেহে নমুনা সংগ্রহ করা মৃত ব্যক্তির বাড়ি লকডাউন
পটুয়াখালীতে জ্বর-সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত হয়ে এক ব্যক্তি মারা গেছেন। শনিবার বিকেলে জ্বর-সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত রশিদের মৃত্যু হওয়ার পর রাত ১১টার দিকে করোনা সন্দেহে নমুনা সংগ্রহ করে স্বাস্থ্য বিভাগ।

এদিকে মৃত ব্যক্তির মেয়ের বসতঘর লকডাউন করেছে প্রশাসন। আজ রবিবার দুপুর ১২টায় পৌরসভার টাউন কালিকাপুর এলাকার বাদবরবাড়ি সংলগ্ন ওই বাড়িতে লাল পতাকা উড়িয়ে লকডাউন ঘোষণা করে এলাকাবাসীতে সতর্ক করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লতিফা জান্নাতি।

নওগাঁয় করোনা সন্দেহে চিকিৎসার অভাবে যুবকের মৃত্যু
নওগাঁর রানীনগরে ঢাকা থেকে আসা এক যুবক জ্বর ও কাশিতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। পরিবারের অভিযোগ করোনা ভাইরাস সন্দেহে চিকিৎসা না পেয়ে মারা গেছেন তিনি। শনিবার রাতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

রাতেই তার মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। রবিবার (২৯ মার্চ) সকালে তাকে দাফন করা হয়। তবে ওই যুবক করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে গ্রামবাসী ও ইউপি মেম্বার প্রথমে তাকে গ্রামেই প্রবেশ করতে দেননি।

সাত দিন আগে থেকেই জ্বর, কাশি ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার বড়ইতলা গ্রামের সুচিত্রা সরকার। এর মধ্যেই শুরু হয় পাতলা পায়খানা। রবিবার (২৯ মার্চ) সকাল সাড়ে নয়টার দিকে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার মুন্নু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

হাসপাতালে উপ-পরিচালক এস এম মনিরুজ্জামান, সাত দিন আগে ওই নারীর শ্বশুর মারা যান। তার শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে অনেক লোক সমাগম হয়েছিল। সেইখানে আসা কোনও ব্যক্তির কাছ থেকে তিনি আক্রান্ত হতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এছাড়াও ঠাকুরগাঁওয়ে একই পরিবারের ৫ জনকে করোনা সন্দেহে রংপুর মেডিকেলের আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। নাটোরের বাগাতিপাড়ায় করোনা সন্দেহে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রকে রাজশাহী মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে। আর নোয়াখালীর সূবর্ণচরে করোনা সন্দেহে কয়েকটি বাড়ির বাসিন্দাদের চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে প্রশাসন।-ব্রেকিং নিউজ

0Shares





Related News

Comments are Closed