Main Menu

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সেই বিজ্ঞপ্তি বাতিল

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: দেশের হাসপাতালগুলোতে রোগীর চিকিৎসায় যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে ভুক্তভোগীকে বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে সেনাবাহিনী বা ওসিকে জানানোর নির্দেশনা দিয়ে বুধবার (২৫ মার্চ) বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব রোকেয়া খাতুন।

তবে এরপরই আদেশটি আবার বাতিল করে বিজ্ঞপ্তি দেয় স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ। নতুন দেয়া বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের হাসপাতালগুলোতে রোগীর চিকিৎসায় যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে ভুক্তভোগীকে বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীকে জানানোর আদেশটি বাতিল করা হলো। পরবর্তীতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সংশোধিত আদেশ জারি করা হবে বলেও জানানো হয় নতুন বিজ্ঞপ্তিতে।

এর আগে সাধারণ রোগীর চিকিৎসা সেবায় অস্বীকৃতি জানালে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়ে বুধবার স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ একটি বিজ্ঞপ্তির ফরমেট তৈরি করে তা পত্রিকায় বিজ্ঞাপন আকারে প্রকাশের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে নির্দেশনা দেওয়া হয়।

ওই বিজ্ঞপ্তির কপি ফেইসবুকে তুলে ধরে এনিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন চিকিৎসকরা। বিভিন্ন মহলও সরকারের আমলাদের এই সিদ্ধান্তে নেতিবাচক মন্তব্য করেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “.. সকল পর্যায়ের হাসপাতালে সাধারণ রোগীর প্রাথমিক চিকিৎসা, ইমারজেন্সি চিকিৎসা, আগত নতুন রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করাসহ ভর্তিকৃত রোগীদের চিকিৎসা সেবা প্রদানে যথাযথ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

“কোনো হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ নির্দেশনা অমান্য করলে ভুক্তভোগীকে তাৎক্ষণিক সেনাবাহিনীর টহলপোস্টে দায়িত্বরত কর্মকতা/নিকটবর্তী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে অবহিত করার অনুরোধ করা হয়েছে। এ আদেশ অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানের রেজিস্ট্রেশন বাতিল, লাইসেন্স বালতিলসহ অন্যান্য আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

মন্ত্রণালয়ের এই নির্দেশনাটি বিজ্ঞপ্তি আকারে চারটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশ করতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। একই সঙ্গে বিজ্ঞপ্তিটি ব্যাপকভাবে প্রচারের ব্যবস্থা করতেও নির্দেশনা দিয়েছিল মন্ত্রণালয়।

এই বিজ্ঞপ্তি জারির পর পরই বুধবার বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডার অ্যাসোসিয়েশন ‘প্রতিবাদলিপি ও গণপদত্যাগ’ শিরোনামে এক বিবৃতি দেয়।

সেখানে বলা হয়, “.. স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে গত ফেব্রুয়ারি মাসে পর্যাপ্ত সুরক্ষা পোশাক সরবরাহ করার অনুরোধ জানিয়ে মন্ত্রণালয়ে পত্র প্রেরিত হয়। কিন্তু স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় নূন্যতম প্রশিক্ষণহীন ও অভিজ্ঞতাহীন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আমলাগণ সেসময় করোনা পরিস্থিতির ভয়াবহতা উপলব্ধি করতে ব্যর্থ হন। যার ফলে স্বাস্থ্য সেবাকর্মীদের যথাযথ সুরক্ষা পোশাকের ঘাটতিসহ সামগ্রিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় চরম ঘাটতি ও এতদসংক্রান্ত ভয়াবহ পরিস্থিতি বর্তমানে দৃশ্যমান।

0Shares





Related News

Comments are Closed