দল গঠনে ইবি’র ক্রীড়া বিভাগের অনিয়ম
শাহাব উদ্দীন ওয়াসিম, ইবি প্রতিনিধি: নিজের খেয়াল খুশিমত চলছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ক্রিড়া বিভাগ। ‘বঙ্গবন্ধু আন্ত:বিশ্ববিদ্যালয় স্পোর্টস চ্যাম্পস-২০২০’ প্রতিযোগিতায় নিয়ামাবলীতে উল্লিখিত সদস্যের চেয়ে কম খেলোয়ার নেওয়া, খেলোয়ার বাছাইয়ে খামখেয়ালী, রাজনৈতিক কোটায় খেলোয়ার বাছাইসহ নানা অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, ‘বঙ্গবন্ধু আন্ত:বিশ্ববিদ্যালয় স্পোর্টস চ্যাম্পস-২০২০’ প্রতিযোগিতার ফুটবল দলে ১৮ জন খেলোয়ার নেওয়ার কথা উল্লেখ থাকলেও কম বাজেটের দোহাই দিয়ে ১৬ জন খেলোয়ার নেওয়া হয়েছে। দুই জন খেলোয়ার কেন কম খেলানো হচ্ছে এ কথা জানতে চাইলে শারীরিক শিক্ষা বিভাগের পরিচালক ড. মো: সোহেল বলেন, “আমাদের ১৬ জন খেলোয়ারের বাজেট পেয়েছি। প্রতি বছর আমরা ১৬ জনের দল গঠন করি। বাজেটের সমস্যা থাকলে আমরা কিভাবে অতিরিক্ত খেলোয়ার নেব।
পরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্রিড়া কমিটির সভাপতি ও প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. শাহিনুর রহমানের সাথে বাজেটের বিষয়ে কথা বললে তিনি বলেন, “আমি এখনই বিষয়টি খোঁজ নিচ্ছি।”
একটু পরেই ড. মো: সোহেল প্রতিনিধিকে ফোন করে বলেন আমি বাজেট সংকটের কথা বলিনি। আমি বলেছি আমরা ১৬ জনের টিম পাঠিয়েছি। প্রতিনিধির কাছে তার আগের কথার রেকর্ড সংরক্ষিত আছে জানালে তিনি বলেন বিষয়টি আমি বলিনি অন্য কেউ হয়তো বলেছে। এবং তিনি কথা ঘোরানোর জন্য যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অবৈধভাবে কিছু খেলোয়ারদের খেলানো হচ্ছে এ বিষয়টি জানান এবং প্রতিনিধিকে এ বিষয়ে সহায়তা করতে বলেন।
ফুটবল টিমের কয়েকজন ফুটবলারের সাথে কথা বললে তারা জানান, ঢাকা লিগের টিমগুলোতে ২০ জন খেলোয়ার থাকে। এবার বঙ্গবন্ধু কাপে ১৮ জনের রেজিস্ট্রেশন করতে বলা হয়েছিল। আমরা ১৮ জনকে নিয়েই টিম করার কথা বললেও ক্রীড়া বিভাগ ১৬ জনের তালিকা দিয়েছে। এক্ষেত্রে তারা না চাইলে আমাদের খেলোয়ারদের কোন কিছু করার নেই।”
এদিকে ক্রিকেট খেলোয়ার বাছাইয়েও খামখেয়ালী করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্রিকেটাররা। পরপর দুইবার বিশ্ববিদ্যালয় টিমে থাকা এবং অনুশীলনে ভাল করার পরও শাকিল ও মিন্টুকে টিম থেকে বাদ দেওয়া, রাজনৈতিকভাবে খেলোয়ার নেওয়া ইত্যাদি অভিযোগ পাওয়া গেছে।
রবিবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের বিদ্রোহী গ্রুপের নেতা অনিক ও বিপুল খানসহ কয়েকজন নেতা-কর্মী বিষয়টি নিয়ে শারীরিক শিক্ষা বিভাগে যায়। এসময় তারা ড. সোহেলের কাছে অনলাইনে কাদের নাম রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে তার তথ্য চান। এসময় ড. সোহেল বলেন, “সব খেলোয়ারদের রেজিস্ট্রেশন আইসিটি সেলের মাধ্যমে করা হয়েছে। অনলাইনে সকল কাজ করা হয়েছে এজন্য আমাদের কাছে কোন তথ্য নেই।”
এছাড়াও জিমনেশিয়ামে জিমের যন্ত্রপাতির সংকট, পুরাতন ও অচল যন্ত্রপাতির ব্যবহার, বিভিন্ন খেলায় বাজেটের সদ্ব্যবহার না করাসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে শারীরিক শিক্ষা বিভাগের বিরুদ্ধে।
Related News
অনলাইনে পণ্য বিক্রির নামে প্রতারণা, ঝিনাইদহে গ্রেপ্তার ৩
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: ঝিনাইদহের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলের অভিযানে ইলিশ মাছ, জুতা, বাচ্চাদের খেলনা, ফার্নিচারসহRead More
যশোরে দুই শিশুপুত্রকে হত্যার পর বাবার আত্মহত্যা
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: যশোরের শার্শায় দুই শিশুসন্তানকে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যার পর তাদের বাবা নিজেওRead More



Comments are Closed