Main Menu

চীন থেকে ফিরেছেন ৩১২ বাংলাদেশি

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: করোনাভাইরাসে আতঙ্কে চীনের উহান প্রদেশ থেকে দেশে ফিরেছেন ৩১২ বাংলাদেশি। শুক্রবার মধ্যরাতে তাদের দেশে ফেরার কথা থাকলেও শনিবার সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে তাদের নিয়ে ফ্লাইটটি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে।

এরপর দুপুর ১২টা ৩৭ মিনিটে বিআরটিসির দুটি এসি বাস ও বিমানবন্দরের একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে তাদের হজ ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়। এর আগে স্থানীয় সময় ৯টা ১০ মিনিটে তাদের নিয়ে বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা দেয় বিমানটি।

এই ফ্লাইটে ৩৬১ জন বাংলাদেশি ফেরার কথা থাকলেও অনেকের পাসপোর্ট নিয়ে জটিলতা থাকায় ৩১২ জন ফিরছেন।

সূত্র জানায়, চীনে অবস্থানরত বেশকিছু বাংলাদেশির পাসপোর্ট কাছে না থাকায় রাতে ফ্লাইট ছাড়তে বিলম্ব হয়। সকালে ফ্লাইট ছাড়ে।

রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) এর এক কর্মকর্তা জানান, চীন ফেরত নাগরিকদের বিমানবন্দরের রানওয়ে থেকে বিআরটিসির বাসে করে আশকোনা হজক্যাম্পে সরাসরি নেওয়া হবে। সেখানে তাদের স্ক্রিনিং করা হবে। কেউ অসুস্থ হলে তাদের আলাদা রাখা হবে। ফেরত আসা পরিবারগুলোকেও আলাদা রাখা হবে। ১৪ দিন হজ ক্যাম্পে কোয়ারেন্টাইন থাকবে চীন ফেরত বাংলাদেশিরা।

ফেরত যাত্রীরা পাসপোর্ট ইমিগ্রেশনে জমা দেবেন। তাদের লাগেজ সংগ্রহ করে হজ ক্যাম্পে পৌঁছে দেবে সেনাবাহিনীর সদস্যরা।

চীনে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে, দেশটিতে বর্তমানে প্রায় পাঁচ হাজার বাংলাদেশি রয়েছেন যাদের মধ্যে প্রায় ৪৫০ জন রয়েছেন উহানে।

আশকোনাস্থ এই হজ ক্যাম্পে ১৪ দিনের জন্য কোয়ারেন্টাইন করে রাখা হবে তাদের। সে সময় তাদের সঙ্গে পরিবারসহ কেউই দেখা করতে পারবে না বলে জানান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক।

হজ ক্যাম্পে ১৪ দিন রাখা অবস্থায় যদি কেউ অসুস্থ হয় তাহলে চিকিৎসার জন্য সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল ও কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতালের কোয়ারেন্টাইন ওয়ার্ড প্রস্তুত রাখা হয়েছে। নিরাপত্তা প্রদানের জন্য পুলিশ ও সেনাবাহিনী সর্বদা মোতায়েন থাকবে।

শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, আমাদের প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার শিক্ষার্থী চীনে পড়াশোনার জন্য অবস্থান করে। এর মধ্যে উহানে ২২টি ইনস্টিটিউটে আমাদের শিক্ষার্থীরা রয়েছে। সেখানকার সবাই আবার আসতে চায়নি। এদের মধ্যে শুধু যারা আসতে চেয়েছেন, তাদেরই আমরা আনার ব্যবস্থা করেছি।

প্রসঙ্গত, শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেল ৫টায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইট (ডিজি-৭০০১) উহানে যায়। এতে চারজন ডাক্তার, পাইলট ছাড়াও ১১ জন কেবিন ক্রু, চারজন ককপিট ক্রু, দুজন প্রকৌশলী ছিলেন বলে জানিয়েছে বিমান কর্তৃপক্ষ।

Share





Related News

Comments are Closed