Main Menu

সিলেটে শিশু নাঈম হত্যায় ৪ জনের মৃত্যুদন্ড

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: সিলেটের দক্ষিণ সুরমার আলোচিত শিশু নাঈম হত্যা মামলায় চারজনের মৃত্যুদন্ডের রায় দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (৯ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মুহিতুল হক এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- দক্ষিণ সুরমা উপজেলার পুরান তেতলী গ্রামের প্রয়াত মো. আফতাব আলীর ছেলে মো. ইসমাইল আলী (২২), একই এলাকার মো. ইছহাক মিয়া ওরফে ইছহাক আলীর ছেলে মো. মিঠুন মিয়া (২০) ও তার ভাই রুবেল (১৮), দক্ষিণ সুরমা থানার দক্ষিণ ভার্থখলা ডি ব্লকের ডিপটি ওরফে রুবেলের ছেলে বিপ্লব ওরফে বিপলু (১৮)।

খালাসপ্রাপ্ত একমাত্র আসামি হলেন- লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ থানার নাদবুদ (সুয়াজিবাড়ী) গ্রামের মো. আবুল কাশেম ওরফে আবুল হোসেনের ছেলে বর্তমানে নগরীর কুয়ারপাড় ভাঙ্গাটিকর মা মঞ্জিল স্মৃতি আবাসিক এলাকার ১৫ নম্বর বাসার বাসিন্দা জুনায়েদ হোসেন ওরফে জুনেদ হোসেন (১৯)।

বাদীপক্ষের আইনজীবী গোলাম এহিয়া জানান, মামলার রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ফাঁসি দ্রুত কার্যকরের দাবি জানাই।

প্রসঙ্গত, প্রসঙ্গত, ২০১১ সালের ১৪ আগস্ট রাতে তারাবির নামাজে গিয়ে অপহৃত হয় দক্ষিণ সুরমার পুরান তেতলির বাসিন্দা আবদুল হকের ছেলে লিটল স্টার কিন্ডার গার্টেন স্কুলের ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্র মোজাম্মেল হক নাঈম। এরপর বিুব্ধ এলাকাবাসী সন্দেহভাজন হিসেবে ইসমাইল ও মিঠুনকে ধরে গণধোলাই দিলে তারা হত্যাকান্ডের কথা স্বীকার করে।

পরে তাদের দেখানো মতো বাড়ির পাশের একটি জঙ্গল থেকে নাঈমের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করা হয়। মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশে নাঈমকে অপহরণ করা হয়েছিল। পরে টাকা না পেয়ে তাকে হত্যা করে খুনিরা।

২০১১ সালের ২০ আগস্ট নাঈমের বাবা আব্দুল হক বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে দক্ষিণ সুরমা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী)-এর ৭/৩০ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০১১ সালের ২৬ নভেম্বর দক্ষিণ সুরমা থানার উপ-পরিদর্শক মো. হারুন মজুমদার পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে এ মামলার চার্জশিট দাখিল করেন।

অভিযুক্তরা হলো, দক্ষিণ সুরমার পুরাতন তেতলী গ্রামের মৃত আফতাব আলীর ছেলে ইসমাইল আলী, একই এলাকার ইসা মিয়ার ছেলে মিঠন মিয়া, দক্ষিণ ভার্থখলার রুবেল মিয়ার ছেলে বিপ্লব ওরফে বিপলু, তেতলীর ইসহাক আলীর ছেলে রুবেল ও নগরীর ভাঙ্গাটিকর কুয়ারপাড়ের স্মৃতি আবাসিক এলাকার ১৫ নম্বর বাসার আবুল কাশেমের ছেলে জুনায়েদ হোসেন জুনেদ।

এদের মধ্যে ইসমাইল ও মিঠন হত্যকান্ডের ঘটনায় আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছিলেন।

0Shares





Related News

Comments are Closed