Main Menu

বিশ্বনাথে তাজ উদ্দিন হত্যায় ১জনের মৃত্যুদণ্ড

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: সিলেটের বিশ্বনাথে তাজ উদ্দিন হত্যা মামলায় নুরুল ইসলাম নামে এক যুবকের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১৪ মে) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক কে এম রাশেদুজ্জামান রাজা এ রায় প্রদান করেন। তবে রায় ঘোষণার সময় আসামি পলাতক ছিলেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত নুরুল ইসলাম (৩০) বিশ্বনাথ উপজেলার আলতাব আলীর ছেলে। আদালতের রায়ে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি আরো ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

সিলেট জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর এডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজাম এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, রাষ্ট্র পক্ষ সঠিকভাবে মামলা প্রমাণ করতে সক্ষম হওয়ায় একজন মা তার একমাত্র ছেলের খুনের বিচার পেয়েছেন।

আদালত সূত্র জানায়, ২০১০ সালের ২ আগস্ট রাত ৯টার দিকে তাজ উদ্দিনের মোবাইল কেড়ে নেয় নুরুল ইসলাম। এ ঘটনায় এলাকার মজর আলীর বাড়িতে বৈঠকে চোর সাব্যস্থ হন নুরুল। পরবর্তীতে এ ঘটনায় অভিযোগ তুলে নিতে তাজ উদ্দিনের মা তৈয়বুন্নেছাকে চাপ দেওয়া হয়। এরই জের ধরে ৯ আগস্ট দুপুরে নুরুল ইসলাম তাজ উদ্দিনকে (১৭) মাছ ধরা অবস্থায় ছোরা দিয়ে ঘাই মারে। তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে এদিন বিকাল ২ টার দিকে তাজ উদ্দিন মারা যায়। এ ঘটনায় নিহতের মা তৈয়বুন্নেছা বাদি হয়ে বিশ্বনাথ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় বন্দুয়া গ্রামের আলতাব আলীর ছেলে নুরুল ইসলামসহ ৫ জনকে আসামি করা হয়। অন্য আসামিরা হলেন, নুরুল ইসলামের ভাই নজরুল ইসলাম, একই এলাকার সিকন্দর আলীর ছেলে গেদবুল মিয়া, আলজাব আলীর ছেলে ফজর আলী ও মীরের গাঁও গ্রামের মন্তাজ আলীর ছেলে রবাই মিয়া।

এ ঘটনায় বিশ্বনাথ থানা পুলিশ ২০১১ সালের ৩০ এপ্রিল, জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ২০১৩ সালের ২১ মার্চ ও সর্বশেষ বিশ্বনাথ থানার ওসি (তদন্ত) ২০১৫ সালের ২৬ আগস্ট আদালতে অভিযোগ পত্র (নং-১১১) দাখিল করেন। আদালতে দাখিল করা তিনটি অভিযোগ পত্রেই একমাত্র নুরুল ইসলামকে অভিযুক্ত করে বাকিদের বাদ দেওয়া হয়।

পিপি মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ বলেন, জিআর ১৩৮/২০১০ মূলে রেকর্ডকৃত মামলাটি অত্র আদালতে দায়রা ৩১৫/১৬ মূলে রেকর্ড করে বিচার কার্য শুরু হয়। দীর্ঘ শোনানীতে মামলায় ৪৪ জন সাক্ষির মধ্যে ১৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এ রায় প্রদান করেন।

Share





Related News

Comments are Closed