উদ্বোধনের পাঁচ বছরেও শুরু হয়নি কার্যক্রম
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: উদ্বোধনের পাঁচ বছরেও শুরু হয়নি কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের সিলেট আঞ্চলিক পরিচালকের কার্যালয়ের কার্যক্রম। গত পাঁচ বছর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই কার্যালয়ের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের এতদিনেও আলোর মুখ দেখেনি এই আঞ্চলিক কার্যালয়টি। আধুনিক ভবনসহ সকল ধরণের সুবিধা থাকা স্বত্ত্বেও জনবল সংকটে কার্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হচ্ছে না।
আঞ্চলিক এই কার্যালয়ের কার্যক্রম শুরু না হওয়ায় অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্তরা এখানে আসেন না। এমনকি নিয়োগপ্রাপ্ত অফিস সহকারীরাও বসেন না নির্ধারিত এই কার্যালয়ে। এতে করে নবনির্মিত এই ভবনটিতে বিরাজ করছে অনেকটা ভুতুরে পরিবেশ।
জানা গেছে, ২০১৩ সালে ১৭ সেপ্টেম্বর কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের সিলেটের আঞ্চলিক কার্যালয় উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর থেকে প্রায় ৫ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো শুরু হয়নি কোনো কার্যক্রম। তবে কার্যালয়টি উদ্বোধনের পর থেকে সিলেট পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের অধ্যক্ষকে উপ-পরিচালক হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। আর একই কলজের পাওয়ার ডিপার্টমেন্টের প্রধান প্রকৌশলী ও বিভাগীয় প্রধান মো. ইকবাল চৌধুরীকে বর্তমানে কার্যালয়টির পরিদর্শকের দায়িত্ব দেওয়া হয়। এছাড়া অফিস সহকারি হিসেবে আরও ১জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই তিনজন দিয়েই চলছে বর্তমানে কার্যক্রম।
এদিকে সিলেট পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের অধ্যক্ষকে উপ-পরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্ব অর্পণ করা হলেও তিনি ওই প্রতিষ্ঠানে বসে নামে মাত্র কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। এছাড়া নিয়োগপ্রাপ্ত একজন অফিস সহকারিও আঞ্চলিক উপ-পরিচালকের কার্যালয় ছেড়ে অধ্যক্ষের সঙ্গে কলেজ অফিসে বসে সময় কাটাচ্ছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, আঞ্চলিক অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত তিনজনই সিলেট পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট অফিসে বসেন। সারা বছরের মধ্যে একবারও নতুন ভবনটিতে বসেন না। আধুনিক ভবন ও স্মার্ট ডেকোরেশনসহ সকল সুযোগ সুবিধা থাকা সত্ত্বেও কেউ যান না ওই অফিসে। ফলে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে নিত্য ব্যবহার্য জিনিসপত্র। মাকড়সায় বাসা বেধেছে প্রতিটি কক্ষে।
এদিকে আঞ্চলিক অফিস স্থাপন হয়েও কার্যক্রম না থাকায় কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এই অফিসের দায়িত্বশীলরা নামে মাত্র হওয়ায় ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হচ্ছে সবসময়। এছাড়া বিভিন্ন তথ্যের জন্য শিক্ষার্থীরা বেশ ভোগান্তিতে পড়েন।

এ ব্যাপারে কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের সিলেটি আঞ্চলিক অফিসের আঞ্চলিক পরিদর্শক ও সিলেট পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের পাওয়ার বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মো. ইকবাল চৌধুরী বলেন, ‘আঞ্চলিক অফিসের জনবল না থাকায় কর্তৃপক্ষ আমাদের অতিরিক্ত দায়িত্ব অর্পণ করেছে। আমরাও কলেজে থেকে আঞ্চলিক অফিসের দায়িত্ব পালন করছি। জনবল নিয়োগ দেওয়া হলে সেখানে কার্যক্রম চলবে।’
তিনি বলেন, ‘জনবল নিয়োগের জন্য প্রক্রিয়া চলছে। আগামী অর্থবছরের মধ্যে সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ হলে নির্ধারিত নতুন ভবনে কার্যক্রম চলবে।’
সিলেট পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের অধ্যক্ষ কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের আঞ্চলিক অফিসের উপ-পরিচলক (দায়িত্বপ্রাপ্ত) ইঞ্জিনিয়ার ড. মো. আব্দুল্লাহ ঢাকায় অবস্থান করায় এ ব্যাপারে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
Related News
কলেজে দ্বিতীয় ধাপে ভর্তি নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক : ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে দ্বিতীয় ধাপে ভর্তির জন্য অনলাইনে নিশ্চায়ন করাRead More
এসএসসিতে দুই বিষয়ে ফেল করলে ১৫ দিনের মধ্যে আবার পরীক্ষা
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: এসএসসি পরীক্ষায় দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ১৫ দিনের মধ্যে আবার পরীক্ষা নেওয়াRead More



Comments are Closed