Main Menu

সুনামগঞ্জে তারিফ হত্যায় ৪ আসামীর যাবজ্জীবন

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের তারিফ হত্যা মামলায় চার আসামীকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদন্ডের রায় দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিজ্ঞ বিচাররক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন ওই রায় প্রদান করেন।

দন্ডপ্রাপ্ত আসামীরা হলেন, জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার খাশিলা গ্রামের নোয়াব আলী (৭০), তার সহোদর কাঁচা মিয়া (৫৫), ছাতক উপজেলার হায়দারপুর গ্রামের বাছা মিয়া (৫৫) ও তার সহোদর ভাই ফটিক মিয়া (৪৮)।

অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলা থেকে বেকসুর খালাস পেয়েছেন জগন্নাথপুরের খাশিলা গ্রামের মৃত আব্দুল শুকুরের ছেলে কাহার মিয়া (৪৫)।

মামলার রায় ঘোষণাকালে দন্ডপ্রাপ্ত নোয়াব আলী ও বাছা মিয়া আদালতে উপস্থিত থাকলেও অপর দন্ডপ্রাপ্ত দুই আসামী কাচা মিয়া ও ফটিক মিয়া পলাতক ছিলেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৯ সালের ১৬ নভেম্বর রাতে পূর্ব বিরোধের জের ধরে জগন্নাথপুরের খালিজা গ্রামে অভিযুক্ত আসামীরা তারিফ মিয়ার বসতঘরে ডুকে তাকে কুপিয়ে হত্যা করে।
ওই ঘটনায় পরদিন ১৭ নভেম্বর নিহতের স্ত্রী আমেনা বেগম নোয়াব আলী, কাচা মিয়া, বাছা মিয়া, ফটিক মিয়া সহ ৭ জনকে অভিযুক্ত করে জগন্নাথপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

২০০০ সালের ১৭মে থানা পুলিশ ওই মামলায় ৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। পরবর্তীতে আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তোরন মিয়া ও আব্দুল কুদ্দুছকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

দীর্ঘ শুনানী শেষে আদালতের বিজ্ঞ বিচারক মঙ্গলবার নোয়াব আলী, কাচা মিয়া, বাছা মিয়া ও ফটিক মিয়াকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদন্ড রায় প্রদান করেন।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী ছিলেন, এডিশনাল পিপি অ্যাডভোকেট সোহেল আহমদ ছইল মিয়া। আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন, অ্যাডভোকেট নাজমুল হুদা ও অ্যাডভোটে ফজলে আমিন।

Share





Related News

Comments are Closed