Main Menu

ফেসবুকে পরিচয়, প্রেম, বিয়ে, অতঃপর খুন

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: এক বছর আগে ফেসবুকে পরিচয়ের সূত্র ধরে চার মাস আগে বিয়ে হয় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছেলে শামীম ও বগুড়ার মেয়ে আশা আক্তারের। শামীমকে বগুড়াতে স্থায়ী করার জন্য এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে একটি ইজিবাইকও কিনে দেন আশা আক্তার। কিন্তু বিয়ের পর আশা আক্তার জানতে পারেন, শামীম আগেও বিয়ে করেছেন এবং তার দুইটি সন্তান আছে। এরই মধ্যে শামীম আশা আক্তারকে না বলে চট্টগ্রাম চলে যাওয়ায় ক্ষোভ আরও বেড়ে যায়। এরপরই খুনের পরিকল্পনা করেন আশা আক্তার।

শামীম খুন হওয়ার পাঁচ দিনের মধ্যে আশা আক্তারকে বগুড়া থেকে গ্রেপ্তার করে চট্টগ্রাম নিয়ে আসার পর এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছেন সিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (প্রশাসন) কুসুম দেওয়ান।

আজ বুধবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দামপাড়া পুলিশ লাইন্সে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, শামীম ফোনে আশা আক্তারকে চট্টগ্রাম চলে আসার জন্য বললে তিনি রাজি হয়ে যান। পরে শামীম গিয়ে আশা আক্তারকে নিয়ে আসেন এবং ভাড়া বাসায় উঠেন। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি শামীমের সঙ্গে প্রথম চট্টগ্রামে আসেন আশা আক্তার এবং সেদিনই শামীমকে ঘুমের মধ্যে খুন করে বগুড়ায় পালিয়ে যান। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহার করা ছুরিটি বগুড়া থেকে কিনে নিয়ে এসেছিলেন আশা আক্তার।

সংবাদ সম্মেলনে সিএমপির উপ-কমিশনার (পশ্চিম) ফারুক উল হক, অতিরিক্ত উপ-কমিশনার কামরুল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী কমিশনার (পাহাড়তলী জোন) পংকজ বড়ুয়া, পাহাড়তলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সদীপ কুমার দাশ উপস্থিত ছিলেন।

Share





Related News

Comments are Closed