Main Menu

সুনামগঞ্জ থেকে ঢাকায় যেতে ২৬ ষ্পটে চাঁদাবাজি

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক সবুজ শিকদার মাস্টার বলেছেন, সুনামগঞ্জ থেকে একটি পণ্যবাহী নৌযানকে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ যেতে কমপক্ষে ২৬টি স্পটে চাঁদা দিতে হচ্ছে। এভাবে বিভিন্ন নৌ রুটেই নৌযান শ্রমিকরা চাঁদাবাজির শিকার হচ্ছেন।

তিনি আরো অভিযোগ করেন, চাঁদা না দিলেই নির্যাতনের শিকার হতে হয় শ্রমিকদের। যেসব শ্রমিকদের ঘাম ও রক্ত পানি করা পয়সায় নৌ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের বেতন ভাতা হয় তাদের সামনেই নৌ-শ্রমিকদের রক্ত পানির সঙ্গে মিশে যায় আর নদীতে কর্মরত প্রশাসন নীরব দর্শকের মতো তাকিয়ে দেখেন। শ্রমিকরা তাদের সাহায্য চাইলে নানা বাহানায় এড়িয়ে যান নদী পথে কর্তব্যরতরা ।

রোববার (২৭ জানুয়ারী) নৌ পুলিশের উপ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) বরাবর নারায়ণগঞ্জ নৌ পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মাধ্যমে স্মারকলিপি দেয়া শেষে তিনি এসব অভিযোগ করেন।

সবুজ শিকদার আরো বলেন, মেঘনা নদীর হরিনাঘাট, বরিশালের হিজলা দুলাখোলা, চাঁদপুরের এখলাছপুর, মোহনপুর, ষাটনল, মেঘনা তেতইতলা, সুনামগঞ্জের কয়লা, চুনাপাথর, বালি পাথর পরিবহনে তাহিরপুরের পাটলাই নদীর বালিয়াঘাট, শ্রীপুর বাজার ঘাট, ধর্মপাশার সানবাড়ি এবং জামালগঞ্জের একাধিক নৌ ষ্পট সহ বিভিন্ন এলাকায় প্রতিনিয়ত বাল্কহেডসহ অসংখ্য নৌযান বিভিন্ন নৌ পথে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) টোল ইজারার নামে ব্যাপক চাঁদাবাজি হচ্ছে।

তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, নদীপথে ইজারাদার নামধারী সন্ত্রাসীদের চাঁদাবাজি, শ্রমিকদের ওপর নির্যাতন ও ডাকাতি বন্ধ না হলে নৌযান শ্রমিকদের কঠোর আন্দোলনের বিকল্প থাকবে না। অবিলম্বে নদীপথে সন্ত্রাসী চাঁদাবাজি ডাকাতি শ্রমিক নির্যাতন বন্ধ করা না হলে শ্রমিকদের কর্মবিরতি পালনসহ সারাদেশে নদীপথে কয়লা, চুনাপাথর, বালি-পাথর ও পণ্য পরিবহন বন্ধ করতে বাধ্য হবো। তখন আর নৌযান শ্রমিকদের ওপর দোষ দেওয়া যাবে না।

এর আগে ওই দিন নারায়ণগঞ্জ শহরের ৫নং খেয়াঘাট এলাকায় বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

Share





Related News

Comments are Closed