Main Menu

কমলগঞ্জে উদ্ধারকৃত চার বনবিড়ালের ছানা

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধিঃমৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের ভাসানিগাঁও এলাকার সবজি খেত থেকে উদ্ধারকৃত সংকটাপন্ন চারটি বনবিড়ালের ছানার সেবা-শুশ্রুষা চলছে ব্যক্তি উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত পাখি ও বন্য প্রাণী সেবাকেন্দ্র সোলে। বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ চারটি বনবিড়ালের ছানাকে উদ্ধার করে বন্য প্রাণীর আলোকচিত্রী, বন্য প্রাণী গবেষক ও সংরক্ষক এবং সোলের পরিচালক তানিয়া খানের কাছে ছানাগুলোকে হস্তান্তর করেছে।

গত বৃহস্পতিবার (৬ ডিসেম্বর) সকালে ভাসানিগাঁও এলাকার আরশিদ আলীর বাড়ির কাছে একটি সবজি খেতে বনবিড়ালের চারটি ছানা স্থানীয় লোকজন দেখতে পান। পরে বন বিভাগের বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগকে খবর দিলে বন বিভাগের লোকজন সকাল সাড়ে ১১টার দিকে চারটি ছানাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন। পরে বনবিড়ালের বাচ্চাগুলো ছোট হওয়ায় বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ সেবা-শুশ্রুষার জন্য ওইদিন (গত বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যায় সোলের পরিচালক তানিয়া খানের কাছে এগুলোকে হস্তান্তর করে।

সোলের পরিচালক তানিয়া খান শুক্রবার (৭ ডিসেম্বর) সাংবাদিকদের বলেন, ‘ছানাগুলোর বয়স আনুমানিক এক মাস হবে। এখনো নিজের মতো করে এরা খেতে পারে না। তবে খাওয়ার চেষ্টা করে। এখন মোরগের মাংশ সেদ্ধ করে কিছুটা তরল আকারে বাচ্চাগুলোকে খাওয়ানো হচ্ছে। সাথে পানি শ‚ন্যতারোধে স্যালাইন দেওয়া হচ্ছে। খাবার খাচ্ছে। কিন্তু বনবিড়ালের বাচ্চা বাঁচানো কঠিন। ওরা মায়ের সাথে থাকলেই ভালো থাকে।’ এই প্রাণীটির অবস্থা সংকটাপন্ন। মানুষের অত্যাচারে এরা বিপন্ন। বনে খাবার সংকট হওয়ায় বন থেকে বেরিয়ে আসে। মানুষের গৃহপালিত হাঁস-মোরগের ওপর হামলা করে। মানুষ ক্ষিপ্ত হয়ে মেরে ফেলে। এভাবেই এরা বিলুপ্তির দিকে চলে যাচ্ছে।

বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের মৌলভীবাজার রেঞ্জ কর্মকর্তা মোনায়েম হোসেন বলেন, ‘হয়তো ওরা মায়ের সাথে ছিল। আশেপাশে হয়তো কোথাও মা আছে। কিন্তু মাকে পাওয়া যায়নি। মোটামুটি এরা সুস্থ আছে। বড় হলে বনে ছেড়ে দেওয়া হবে। এখন আপাতত ওদেরকে লালন-পালন করার জন্য তানিয়া খানের কাছে দেওয়া হয়েছে।

Share





Related News

Comments are Closed