Main Menu

মোবাইল প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্ষণের পর হত্যা

Manual7 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: মোবাইল প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রেমিকাকে হত্যা করে প্রেমিক। পরে ধানক্ষেতে প্রেমিকার লাশ চাপা দিয়ে পালিয়ে ঢাকায় আত্মগোপন করে থাকলেও বাঁচতে পারেনি। অবশেষে মোবাইল ট্র্যাকিং প্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশের হাতে বন্দি হলো প্রেমিক জহিরুল ইসলাম ওরফে জহির শেখ (৩০)।

Manual4 Ad Code

শুক্রবার দুপুরে তাকে নেত্রকোনা আদালতে পাঠিয়েছে নেত্রকোনার কলমাকান্দা থানা পুলিশ। প্রেমিকা পারভীন আক্তারকে (১৬) ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে গত বুধবার রাতে ঢাকার রামপুরা এলাকা থেকে রামপুরা থানার মাধ্যমে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

জহির শেখ নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার বাকলজোড়া ইউনিয়নের চারিগাঁও গ্রামের মৃত আবদুল খালেকের ছেলে।

Manual6 Ad Code

পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্র জানায়, নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের ওয়াহেদ আলীর মেয়ে কিশোরী পারভীন আক্তারের সাথে প্রায় ৯ মাস আগে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে জহির শেখের। এ সুবাদে গত ১৭ জুলাই রাতে পারভীন আক্তারকে বাড়ি থেকে ফুসলিয়ে দুর্গাপুরে নিয়ে জহির তার বাড়ির পাশে পুকুরপাড়ে তাকে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ করে।

Manual2 Ad Code

জহির বিবাহিত বিষয়টি জানলে পারভীনের সাথে কথা কাটাকাটি ও ঝগড়ার সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে জহির তাকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে পাশের ধানক্ষেতে পারভীনকে মাটি চাপা দেয়। তারপর জহির ঢাকায় চলে যায় এবং পারভীনের মোবাইলটি বন্ধ রেখে প্রায় একমাস পর তা চালু করে।

এদিকে, পারভীনকে খুঁজে না পেয়ে গত ৩০ জুলাই তার বাবা ওয়াহেদ আলী কলমাকান্দা থানায় মেয়ে নিখোঁজের ব্যাপারে একটি সাধারণ ডায়রি করেন। এ প্রেক্ষিতে কলমাকান্দা থানা পুলিশ মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে জহিরের অবস্থান জেনে তাকে রামপুরা থানা পুলিশের মাধ্যমে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারের পর গতকাল বৃহস্পতিবার দুর্গাপুরে জহিরের দেখানো জায়গায় মাটি খুঁড়ে পারভীনের চুল ও কাপড়ের অংশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পারভীন আক্তারের বাবা ওয়াহেদ আলী বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে বুধবার রাতে জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

Manual6 Ad Code

সমস্ত তথ্য নিশ্চিত করে কলমাকান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাজহারুল করীম জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জহিরুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি স্বীকার করেছে। চুল ও কাপড়ের অংশ সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code