Main Menu

সড়কে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ নির্দেশনা

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ও সড়কে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কর্তৃপক্ষকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে। এ নির্দেশনায় বলা হয়, চলমান অবস্থায় গাড়ির দরজা খোলা রাখা যাবে না এবং স্টপেজ ছাড়া যেখানে-সেখানে গাড়ি থামানো যাবে না।
এছাড়া, পরিবহন ও সড়ক ব্যবস্থাপনা, পরিবহনের ফিটনেস ও লাইসেন্স এবং এ সংক্রান্ত সরকারের নির্দেশনা গণমাধ্যমে প্রচারণার ব্যাপারে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ফিটনেস ও লাইসেন্স না থাকলে পরিবহন জব্দ করাসহ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়।
বৃহস্পতিবার (১৬ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীর দফতরের ‘গভর্ননেন্স ইনোভেশন ইউনিট’-এর এক বৈঠকে ‘ডেভেলপমেন্ট অব ট্রাফিক সিস্টেম আন ঢাকা সিটি’-এর ওপর আলোচনার পর এ নির্দেশনাগুলো দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব মো. নজিবুর রহমান এ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন এবং পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন দেখান ইউনিটের ডেপুটি ডিরেক্টর মোহাম্মদ আলী নেওয়াজ রাসেল।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, চলমান অবস্থায় গাড়ির দরজা খোলা রাখা যাবে না এবং স্টপেজ ছাড়া যেখানে-সেখানে গাড়ি থামানো যাবে না। এমনকি পরিবহনের মধ্যে অন্তত দুই জায়গায় ড্রাইভার ও তার সহযোগীর ছবিসহ নাম, পরিচয়, মোবাইল নম্বর, ড্রাইভিং লাইসেন্স ঝুলিয়ে রাখতে হবে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, মোটরসাইকেলে দু’জনের বেশি ওঠা যাবে না এবং অবশ্যই হেলমেট পড়তে হবে। এছাড়া, তাদের সব ট্রাফিক আইন ও সিগন্যাল মেনে চলতে হবে।

দূরপাল্লার বাসের ড্রাইভারদের সিটবেল্ট বাঁধতে হবে এবং সেই সঙ্গে যাত্রীদের জন্যেও সিটবেল্ট নিশ্চিত করতে হবে। এসব নির্দেশনা না মানলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

একই সঙ্গে ফুটওভারব্রিজ বা আন্ডারপাসের একশ’ মিটারের মধ্যে কোনও পথচারীকে সরাসরি রাস্তা পার হতে দেওয়া হবে না বলেও বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এজন্য আন্ডারপাসে প্রয়োজনীয় লাইট ও সিসিটিভি দিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও ওভারব্রিজের ক্ষেত্রেও তা পরিচ্ছন্ন রাখার ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

এদিকে, রাজধানীর সড়কে জেব্রা ক্রসিং ভালোভাবে সাদা কালিতে চিহ্নিত করা এবং ফুটপাত হকারমুক্ত করা, অবৈধ স্থাপনা ও অবৈধ পার্কিং উচ্ছেদের ব্যাপারেও বলা হয়েছে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়, প্রত্যেকটা রাস্তার নামে নেমপ্লেট বানিয়ে তা রাস্তায় রাখতে হবে। সড়কে অটোমেটিক ইলেকট্রিক সিগন্যাল সিস্টেম ব্যবহারের ব্যাপারেও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। মহাখালী ফ্লাইওভার থেকে ফার্মগেটের অন্তত দুই জায়গায় মোবাইল কোর্ট ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়োজিত করে গাড়ির ফিটনেস ও লাইসেন্স চেক করার কথাও বলা হয়েছে। অ্যাকাডেমিক সময়ে বিএনসিসি দিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আশেপাশে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের কথাও বলা হয়েছে। সূত্র: বাসস।

Share





Related News

Comments are Closed