Main Menu

সিসিক নির্বাচনে প্রার্থীদের ব্যয়সীমা নির্ধারণ ইসির

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ চলছে। আর এরই মধ্যে প্রার্থীদের নির্বাচনী ব্যয় সীমাও নির্ধারণ করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) নির্বাচন বিধিমালা-২০১০ এর বিধি ৪৯(১)(ক)(অ)(আ) অনুযায়ী মেয়র প্রার্থীদের জন্য এবং স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) নির্বাচন বিধিমালা-২০১০ এর বিধি ৪৯(১)(খ)(অ)(আ) অনুযায়ী সাধারণ কাউন্সিলর প্রার্থী এবং সংরক্ষিত কাউন্সিলর প্রার্থীর জন্য এই ব্যয়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র জেলা নির্বাচন কমিশনারের কার্যালয়, সিলেট থেকে ‘নির্বাচনী ব্যয় সংক্রান্ত তথ্যাদি’ জানানো হয়েছে। সিসিক নির্বাচনে একজন মেয়র প্রার্থীর ‘ব্যক্তি ব্যয়’ (ব্যক্তিগত খরচ) বাবদ সর্বোচ্চ ৭৫ হাজার টাকা এবং ‘নির্বাচনী ব্যয়’ সর্বোচ্চ ১৫ লাখ টাকা হবে।

এছাড়া নির্বাচন কমিশন সিসিকের ২৭টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী এবং ৯টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডের প্রার্থীদের ব্যয়সীমাও বেঁধে দিয়েছে। এ অনুযায়ী ওয়ার্ড ভেদে সাধারণ কাউন্সিলর প্রার্থীরা ১০ হাজার টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা ব্যক্তি ব্যয় ও নির্বাচনী ব্যয় বাবদ সর্ব্বোচ্চ ১ লাখ টাকা খবচ করতে পারবেন। তবে সিসিকের ৭, ৮, ৯ ও ১০নং ওয়ার্ডের প্রার্থীরা ব্যক্তি ব্যয় ২০ হাজার টাকা ও নির্বাচনী ব্যয় ২ লাখ টাকা সর্ব্বোচ্চ ব্যয় করতে পারবেন।

এছাড়াও সংরক্ষিত ১, ৫ ও ৮নং আসনে মহিলা কাউন্সিলররা ব্যক্তি ব্যয় ২০ হাজার টাকা ও নির্বাচনী ব্যয় ২ লাখ টাকা, সংরক্ষিত ২, ৩, ৪, ৬ ৭ ও ৯ ওয়ার্ডে মহিলা কাউন্সিলররা ব্যক্তি ব্যয় ৩০ হাজার টাকা ও নির্বাচনী ব্যয় ৪ লাখ টাকা ও সংরক্ষিত ৩নং ওয়ার্ডে মহিলা কাউন্সিলররা ব্যক্তি ব্যয় ৫০ হাজার টাকা ও নির্বাচনী ব্যয় ৬ লাখ টাকা খরচ করতে পারবেন।

নির্বাচনের প্রচারণাকালে প্রার্থীর নিজের খাবার ও যানবাহনের জ্বালানির খরচ ‘ব্যক্তি ব্যয়’ হিসেবে দেখানো যাবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ব্যয়সীমা লঙ্ঘন করলে তা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন বলে বিবেচিত হবে।

আগামী ৩০ জুলাই সিলেট সিটি করপোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে ২৮ জুন পর্যন্ত মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমাদান, মনোনয়নপত্র বাছাই ১ ও ২ জুলাই এবং প্রত্যাহারের তারিখ ৯ জুলাই নির্ধারিত করে তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।

Share





Related News

Comments are Closed