Main Menu

আবদুস সামাদ আজাদ’র মৃত্যুবার্ষিকী আজ

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের প্রথম পররাষ্ট্রমন্ত্রী, ভাষা সৈনিক, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, জাতীয় নেতা আবদুস সামাদ আজাদ’র ১৩ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ শুক্রবার। মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আবদুস সামাদ আজাদ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে শুক্রবার সকালে প্রয়াত নেতার কবর জেয়ারত ও পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে।

এতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন। পরিবারের পক্ষ থেকে সকাল সাড়ে ৭টায় মরহুমের কলাবাগানস্থ বাসভবনে কোরানখানি, লেকসার্কাস লেকভিউ জামে মসজিদে বাদ আসর মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।

এ ছাড়া সিলেট, সুনামগঞ্জ, জগন্নাথপুর, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ ও ছাতকে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের পক্ষ থেকে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

জগন্নাথপুরে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের পক্ষ থেকে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। দুপুরে জগন্নাথপুরে আবদুস সামাদ আজাদ অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

আবদুস সামাদ আজাদ তৎকালীন সিলেট জেলার জগন্নাথপুর থানার ভূরাখালি গ্রামে ১৯২২ সালে জন্মগ্রহন করেন। ১৯৪০ সালে সুনামগঞ্জ জেলা মুসলিম ছাত্র ফেডারেশন এর সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন এবং ১৯৪৬ সালে একই সংগঠনের অবিভক্ত আসামের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনে তাঁর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রথম ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করা হয়।

১৯৫৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট থেকে এম.এল.এ. নির্বাচিত হন এবং আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক নিযুক্ত হন। ১৯৫৮ সালে আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন এবং সর্বদলীয় রাজনৈতিক জোট এন.ডি.এফ. এর দপ্তর সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭০ এর নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগ থেকে এম.এন.এ. নির্বাচিত হন। মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সংগঠকের একজন এবং স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম পররাষ্ট্র মন্ত্রী ছিলেন তিনি।

৭৫ পরবর্তী আওয়ামী লীগের পুনর্গঠনে বিশেষ ভূমিকা পালন করেন এবং জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আওয়ামী লীগের অন্যতম প্রেসিডিয়াম সদস্য ছিলেন।

১৯৯০ এর গণঅভ্থূানের এবং ১৯৯৬ এর জনতার মঞ্চের অন্যতম রূপকার ছিলেন তিনি। ১৯৯১ সালে বিরোধী দলীয় উপনেতার দায়িত্ব পালন করেন। সুনামগঞ্জ জেলার প্রায় প্রতিটি নির্বাচনী এলাকা থেকে বিভিন্ন সময়ে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ মন্ত্রীসভায় সফল পররাষ্টমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। বৃটিশ, পাকিস্তান, বাংলাদেশের বিভিন্ন স্বৈরাচারের রোষানলে পড়ে জীবনের বহু বছর তিনি কারাবন্দী ছিলেন।

২০০১ সালের শেষ নির্বাচনে দল হারলেও আবদুল সম্বাদ আজাদ সুনামগঞ্জ-৩ আসনে বিজয়ী হন। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য থাকা অবস্থায় ২০০৫ সালের ২৭ এপ্রিল মৃত্যুবরণ করেন।

Share





Related News

Comments are Closed