শাবি ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জুয়েম গ্রেপ্তার
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ জুয়েমকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানিয়েছেন জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম।
ওসি আরও জানান, অভ্যন্তরীন বিরোধে গত মঙ্গলবার রাতে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবি) ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় ২১ মার্চ দুপুরে শাবি শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি তারিকুল ইসলাম একটি মামলা দায়ের করেন। সেই প্রেক্ষিতে জুয়েম নামের একজনকে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গত মঙ্গলবার রাতে সংঘর্ষের ঘটনায় বুধবার দুপুরে শাবি ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি তারিকুল ইসলাম বাদী হয়ে ১০ জনের নামোল্লেখ করে হত্যাচেষ্টা মামলা করেন; সেই মামলার অন্যতম আসামি সৈয়দ জুয়েম।
মামলার অন্য আসামীরা হলেন- ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু সাইদ আকন্দ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজেদুল ইসলাম সবুজ ও আশরাফুল আলম অন্তু, সাংগঠনিক সম্পাদক দোলন আহমদ, উপ-মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক লক্ষণ চন্দ্র বর্মণ, সদস্য মুনকির কাজী, কাজী তৌফিকুর রহমান তন্ময়, মুস্তাফিজুর রহমান খান ও বাসির মিয়া। এছাড়া অজ্ঞাত পরিচয় আরও ১২ জনকে আসামি করা হয়।
এদিকে বুধবার দুপুরে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আবু সাঈদ আকন্দ ও সাজিদুল ইসলাম সবুজকে স্থায়ী বহিষ্কারসহ শাখা ছাত্রলীগের ১২ নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বহিস্কৃতদের মধ্যে সৈয়দ জুয়েমও রয়েছেন।
বহিস্কৃত অন্যরা হলেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আবু সাঈদ আকন্দ ও সাজিদুল ইসলাম,শাবি শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক আশরাফুল আলম অন্তুু, সাংগঠনিক সম্পাদক দোলন আহমেদ, উপ-মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক লক্ষণ চন্দ্র বর্মণ, সদস্য মুনকার কাজী, তৌফিকুর রহমান তন্ময়, বাসির মিয়া, মেহের উদ্দিন হিমেল, রায়হান আহমেদ এবং শরিফুল মালেক শরিফ।
অন্যদিকে, বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে বহিষ্কৃত নেতাকর্মীরা। বুধবার বিকাল সাড়ে ৪টায় শাবি প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে বহিষ্কৃত নেতাকর্মীরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে বলেন, আমরা এ ঘটনায় কোনোভাবেই জড়িত নই। আমাদেরকে পরিকল্পিতভাবে এই ঘটনায় জড়ানো হয়েছে। এ সময় তারা গুলিবর্ষণকারী তারিকুলের বহিষ্কারের দাবি জানান।
শাবি প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক জহীর উদ্দিন আহমদ বলেন, মঙ্গলবারের হামলার ঘটনায় ছাত্রলীগের একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার (২০ মার্চ) রাত ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের পার্শ্ববর্তী সাতকরা রেস্টুরেন্টে শাখা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি আবু সাঈদ আকন্দ ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজিদুল ইসলাম সবুজের অনুসারীদের সঙ্গে শাখা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি তারিকুল ইসলামের অনুসারীদের সংঘর্ষ বাধে। এ ঘটনায় ছোড়া গুলিতে আহত হন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এস এম আব্দুল্লাহ রনি।
Related News
গোয়াইনঘাটে বিয়ের দাবিতে ৪দিন ধরে প্রেমিকের বাড়িতে তরুণীর অবস্থান
Manual1 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলায় মোবাইল ফোনে প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরেRead More
সিলেটে ৬৯৩ পিস ভারতীয় ফ্রাইডিল-স্কাফ সিরাপসহ যুবক আটক
Manual4 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৬৯৩ পিস ভারতীয়Read More



Comments are Closed