Main Menu

মারা গেলেন ক্যাপ্টেন আবিদ সুলতানও

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: নেপালের কাঠমান্ডুতে বিধ্বস্ত ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজটির প্রধান বৈমানিক আবিদ সুলতান মারা গেছেন। ইউএস বাংলার জনসংযোগ শাখার মহা ব্যবস্থাপক কামরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তবে কখন তিনি মারা গেছেন সে সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি। এখনও পর্যন্ত পাওয়া তথ্য মতে, মঙ্গলবার সকালে মারা গেছেন তিনি।

তিনি বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একজন পাইলট ছিলেন। সেখান থেকে অবসরগ্রহণের পর তিনি ইউএস বাংলার পাইলট হিসেবে যোগদান করেন। বিধ্বস্ত বিমান ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের বিএস-২১১ এর পাইলট ছিলেন আবিদ সুলতান।

তিনি এই বিমানটির একজন ইনস্ট্রাক্টর ছিলেন। এর আগে তিনি পাঁচহাজার ঘণ্টার বেশি সময় ফ্লাই করেছেন বলে জানিয়েছেন ইউএস বাংলার কর্মকর্তা।

বিমানটিতে কোনো যান্ত্রিক ত্রুটি ছিলো কিনা- এই প্রশ্নের উত্তরে ইউএস বাংলার মুখপাত্র জানান, ‘অবশ্যই না। এই বিমানটির বয়স ১৬ বছর। এই মডেলের চারটি বিমান আছে আমাদের। তিনি এক্স-এয়ারফোর্সের একজন পাইলট। তার ফ্লাইং আওয়ার পাঁচ হাজারের বেশি। এই এয়ারক্র্যাফ্টে উনি ১৭০০ ঘণ্টার বেশি ফ্লাই করেছেন। উনি এই এয়ারক্র্যাফ্টের একজন ইন্সট্রাক্টর। এটিসি কনভার্সেশন শোনার পর আমাদের মনে হচ্ছে না, যে আমাদের বৈমানিকদের দিক থেকে কোনো গাফিলতি ছিলো।’

এদিকে গতকাল সোমবার আবিদ সুলতানের ভাগ্নি জানান, তারা অত্যন্ত চিন্তিত অবস্থায় আছে। আমার খালা আমাদের পরিবার অনেক টেনশনের ভেতর আছি। আবিদ সুলতান তামজিদ নামের একমাত্র সন্তানের জনক।

এই বিমানের চার কেবিন ক্রুর কেউ বেঁচে নেই। ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টার জানিয়েছে ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জেনারেল ম্যানেজার রাজকুমার ছেত্রী এই খবর নিশ্চিত করেছেন। অন্য কেবিন ক্রুরা হলেন- কো-পাইলট পৃথুলা রশিদ, খাওয়াজা হোসেইন মোহাম্মদ শাফি ও শামিম আক্তার।

 

সোমবার দুপুরে ঢাকা থেকে ৬৭ জন যাত্রী নিয়ে কাঠমান্ডু রওয়ানা হয়েছিল ইউএস বাংলার একটি উড়োজাহাজ। কেবিন ক্রু সহ বিমানের মোট মানুষ ছিলেন ৭১ জন। ত্রিভুবন বিমানবন্দরে নামার সময় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। এতে ৪৯ জনের মৃত্যুর খবর জানিয়েছিল নেপাল পুলিশ। যার বেশিরভাগই বাংলাদেশ ও নেপালের নাগরিক।

Share





Related News

Comments are Closed