Main Menu

আজ বিশ্ব টেলিভিশন দিবস

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: বিশ্ব টেলিভিশন দিবস আজ। ১৯২৬ সালের এইদিনে বিজ্ঞানী জন লোগি বেয়ার্ড টেলিভিশন আবিষ্কার করেন।

১৯৯৬ সালের ২১ ও ২২ নভেম্বর জাতিসংঘে প্রথমবারের মতো বিশ্বের প্রধান মিডিয়া ব্যক্তিত্বের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত প্রথম টেলিভিশন ফোরামে ২১ নভেম্বরকে বিশ্ব টেলিভিশন দিবস হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব করা হলে একই বছরের ১৭ ডিসেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রস্তাবটি গৃহীত হয়।

বিশ্বব্যাপী টেলিভিশন সম্প্রচার এখন নিত্যদিনের ঘরোয়া বিনোদন ও সংবাদের মূল উৎসে পরিণত হয়েছে। প্রযুক্তির উৎকর্ষে ও সময়ের দাবিতে বাংলাদেশেও এখন টেলিভিশন যন্ত্রটি গণমাধ্যম হিসেবে ব্যাপক ভূমিকা পালন করছে। দৈনন্দিন খবরাখবর ও মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নেও টেলিভিশনের গুরুত্ব অপরিসীম।

বর্তমানে তার অনেকটাই কম্পিউটার দখল করে নিলেও টেলিভিশনের গুরুত্ব ঠিকই রয়ে গছে। বিশ্ব টেলিভিশন দিবস উদযাপন করতে জাতীয় প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে দেশের পেশাজীবী টেলিভিশন প্রযোজকদের সংগঠন ব্রডকাস্ট প্রডিউসার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএ) টেলিভিশন সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে আজ সকাল সাড়ে ৯টায় এক র‌্যালির আয়োজন করছে। তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু র‌্যালিতে উপস্থিত থাকবেন।

এছাড়া দেশের বেসরকারি চ্যানেলগুলোর পাশাপাশি বাংলাদেশ টেলিভিশন বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে।

বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাব্যবস্থাপক মাসউদুল হক জানান, টেলিভিশন দিবস উপলক্ষে মোট ৫টি বিশেষ নাটক প্রচার হবে বাংলাদেশ টেলিভিশনে। এগুলো হলো জহির রায়হানের ‘হারানো বলয়’ অবলম্বনে রাব্বি আহমেদের চিত্রনাট্যে ‘হারানো অধ্যায়’, রশীদ করিমের উপন্যাস ‘পদতলে রক্ত’ অবলম্বনে মারুফ রায়হানের চিত্রনাট্যে ‘নর্তকী’, মাহমুদুল হকের গল্প ‘প্রতিদিন একটি রুমাল’ অবলম্বনে আলতাফ শাহনেওয়াজের চিত্রনাট্যে ‘একটি রুমাল’, শওকত ওসমানের ‘ক্রীতদাসের হাসি’ উপন্যাস অবলম্বনে পলাশ দত্তের চিত্রনাট্যে ‘গোলামের হাসি’ ও মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছোটগল্প ‘প্রাগৈতিহাসিক’ থেকে একই নামে নির্মিত নাটক। চিত্রনাট্য লিখেছেন ও পরিচালনা করেছেন মাতিয়া বানু শুকু। আজ থেকে শুরু হয়ে প্রতিদিন রাত ৮টার বাংলা সংবাদের পর একটি করে নাটক প্রচার হবে।

Share





Related News

Comments are Closed