Main Menu

উজানের বৃষ্টিপাতে পানি বেড়েছে সুরমা-কুশিয়ারায়

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: ভারতের আসামসহ কয়েকটি রাজ্যে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় সিলেটের সুরমা-কুশিয়ারায় পানি প্রবাহ বেড়েছে। গত কয়েকদিন নদীর পানি কিছুটা কমতে থাকলেও তিন পয়েন্টে বিপদসীমার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছিল। তবে নতুন করে পানি বেড়ে যাওয়ায় শনিবার থেকে রোববার সবকটি পয়েন্টেই বিপদসীমার কয়েক সেন্টিমিটার বেশি উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে বলে পাউবো সূত্র জানিয়েছে।
সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে পাওয়া তথ্য মতে রোববার কানাইঘাটে সুরমা বিপদসীমার ৬৩ সেন্টিমিটার, শেওলায় কুশিয়ারা বিপদসীমার ৯৩ সেন্টিমিটার, আমলসীদের কুশিয়ারা বিপদসীমার ১৩৩ সেন্টিমিটার এবং শেরপুরে কুশিয়ারা বিপদসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যেখানে শনিবার কানাইঘাটে সুরমা বিপদসীমার ৪৮ সেন্টিমিটার, শেওলায় কুশিয়ারা বিপদসীমার ৭৪ সেন্টিমিটার, আমলসীদে কুশিয়ারা বিপদসীমার ৮৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।
সিলেটের সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর উৎসমুখ হচ্ছে বরাক নদী। মণিপুর রাজ্য থেকে উৎপন্ন বরাক নদী আসামের কাছাড় জেলা হয়ে জকিগঞ্জের আমলসীদের কাছে সুরমা ও কুশিয়ারা-এই দুই নামে বিভক্ত হয়েছে। এ দুটি নদী দিয়ে কেবল বরাক নয়, আসাম ও মেঘালয়ের ছোট ছোট আরো কয়েকটি নদীর পানিও প্রবাহিত হয়।
প্রসঙ্গত, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে গত পক্ষকাল ধরে সিলেটের ৯টি উপজেলা বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে। উপজেলা গুলো হচ্ছে- জকিগঞ্জ, বিয়ানীবাজার, গোলাপগঞ্জ, ফেঞ্চুগঞ্জ, বালাগঞ্জ, ওসমানীনগর, কানাইঘাটের একাংশ, বিশ্বনাথ ও কোম্পানীগঞ্জ। বিয়ানীবাজার, গোলাপগঞ্জ ও ফেঞ্চুগঞ্জে ১১টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব আশ্রয় কেন্দ্রে ৬৩৯ জন বন্যার্ত লোক আশ্রয় নিয়েছেন।

Share





Related News

Comments are Closed