Main Menu

ছাতক-কোম্পানীগঞ্জ নৌ-রুটে বন্ধ হয়নি চাঁদাবাজি

কামরুল হাসান সবুজ, ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি: ছাতক-কোম্পানীগঞ্জ নৌ-রুটে এখনো বন্ধ হয়নি চাঁদাবাজি। একটি চাঁদাবাজ সিন্ডিকেট সহস্রাধিক বালু ও পাথরবাহি নৌকা থেকে প্রত্যহ প্রায় দুই থেকে আড়াই লক্ষাধিক টাকা চাঁদা আদায় করছে।
গত ২ জুলাই সিলেট বিভাগীয় কমিশনার বরাবরে কোম্পানীগঞ্জের তেলিখাল ইউপির চাঠিবহর (পূর্বপাড়া) গ্রামের ইবরাহিম মড়লের পুত্র মাওলানা ফারুক আহমদ ও ২১ জুন চাঠিবহর (আমবাড়ি) গ্রামের মৃত হাজি তৈমুছ আলীর পুত্র সুজন মিয়া সিলেট জেলা প্রশাসক বরাবরে অব্যাহত চাঁদাবাজি বন্ধের পৃথক দু’টি আবেদন করেন।
আবেদনে চাঠিবহর (টিলাপাড়া) গ্রামের আজমান আলীর পুত্র আমির হোসেনের নেতৃত্বে একটি চক্র পিয়াইন নদীতে চাঁদাবাজি করছে উল্লেখ করে এদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি করা হয়। আমির হোসেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বালু মহাল ব্যবসায়ি সমবায় সমিতি লিঃ এর সাইন বোর্ডের আড়ালে প্রত্যহ সহস্রাধিক নৌকা থেকে নৌকা প্রতি ২শ’ থেকে ৫শ’ টাকা করে চাঁদা আদায় করে যাচ্ছে। টাকা দিতে দেরি করলে নৌকা ও বাল্কহেডের মাঝি ও স্টাফদের মারপিট করা হয় বলে জানান ব্যবসায়িরা।
এব্যাপারে আবেদনকারি সুজন মিয়া নিজেকে একজন ব্যবসায়ি উল্লেখ করে বলেন, চাঁদাবাজরা মামলা-হামলায় জড়িয়ে তাকে হয়রানি ও অব্যাহত ভয়ভীতি প্রদান করে যাচ্ছে। তিনি বিভিন্ন পত্রিকায় তাকে জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশের ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, ছাতক ও কোম্পানীগঞ্জের বালু ও পাথর ব্যবসায়িদের কাছে নৌ-রুটে চাঁদাবাজদের অপতৎপরতা বন্ধের দাবিতে তিনি প্রশাসনে লিখিত আবেদন করেন।
এব্যাপারে আমির হোসেনের সাথে যোগাযোগের চেষ্ঠা করে পাওয়া যায়নি।
কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) আলতাফ হোসেন জানান, উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে দেয়া আবেদনের প্রেক্ষিতে চাঁদাবাজি বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছেন। এরই অংশ হিসেবে ৬ জুলাই সকাল থেকে থানার এসআই রফিক আহমদের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে প্রেরণ করে চাঁদাবিাজি বন্ধের ব্যবস্থা নেন বলে জানান তিনি।

Share





Related News

Comments are Closed