জাতীয় কবির ৪০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম : বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৪০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ শনিবার। কবি লিখেছিলেন ‘মসজিদেরই পাশে আমার কবর দিও ভাই…’। তাঁর ইচ্ছা অনুসারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে অন্তিম শয়ানে শায়িত করা হয়েছে তাঁকে। আজ দেশের অগণিত ভক্ত সকাল থেকেই কবির কবরে ফুলে ফুলে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।
দীর্ঘদিন রোগভোগের পর ‘দ্রোহ ও সাম্যের কবি’ কাজী নজরুল ইসলাম ঢাকার তৎকালীন পিজি হাসপাতালে (বর্তমানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) ১৯৭৬ সালের ২৭ আগস্ট (১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র) ইন্তেকাল করেন।
বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অভ্যুদয়ের পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের বিশেষ উদ্যোগে ১৯৭২ সালে সরকার তাঁকে জাতীয় কবির মর্যাদা দিয়ে বাংলাদেশে নিয়ে আসে। ধানমন্ডিতে কবির বসবাসের জন্য বাসভবন বরাদ্দ করা হয় এবং তাঁর চিকিৎসা ও পরিচর্যার যাবতীয় ব্যবস্থা করা হয়। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার আসানসোল মহকুমার চুরুলিয়া গ্রামে ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (১৮৯৯ খ্রিষ্টাব্দের ১৪ মে) কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম। তাঁর বাবা কাজী ফকির আহমেদ ও মা জাহেদা খাতুন। দারিদ্র্যের মধ্যে কঠিন জীবনসংগ্রাম করে বেড়ে উঠেছিলেন কবি।
সমাজে সব অত্যাচার, অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন কবি। তাঁকে বিদ্রোহী করে তুলেছিল শোষণ, বঞ্চনা ও বৈষম্য। আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন শোষিত-বঞ্চিত মানুষের মুক্তির জন্য। মানবতা ও সাম্যের জয়গান গেয়েছেন মুক্ত কণ্ঠে। মানবতার মুক্তির পাশাপাশি সাম্প্রদায়িকতা, ধর্মান্ধতা, কুসংস্কার, কূপমণ্ডূকতার বিরুদ্ধে তাঁর ক্ষুরধার লেখনী ছিল অব্যাহত। বাংলা কাব্য ও সংগীতে কাজী নজরুল ইসলাম এক নতুন মাত্রা সংযোজন করেছিলেন তাঁর অনন্য প্রতিভায়।
আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতীয় কবির গান ও কবিতা সাহস ও প্রেরণা জুগিয়েছে দেশের মুক্তিকামী মানুষকে। তাঁর চেতনা ও আদর্শ চিরভাস্বর হয়ে আছে আমাদের জীবনে।
Related News
আসিফের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ, তদন্তে দুদক
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে নিয়োগ, বদলি ও পদায়নে কোটি কোটিRead More
সারাদেশে কিডনি রোগীদের জন্য বড় সুখবর
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: দ্রুততম সময়ের মধ্যেই সারাদেশের সব জেলা-উপজেলা পর্যায়ে কিডনি রোগীদের জন্য ডায়ালাইসিস সেবাRead More



Comments are Closed