কোরবানীর পশু জবাই : সারাদেশে ৬২৩৩ স্থান নির্ধারণ
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক : কোরবানির পশু জবাইয়ের জন্য সব সিটি করপোরেশন ও জেলা শহরে সম্ভাব্য ৬ হাজার ২৩৩ স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। কোরবানির ১০ থেকে ১৫ দিন আগে কখন কোন এলাকার বা বাড়ির পশু জবাই হবে, তার বিবরণ-সংবলিত স্লিপ প্রতিটি বাড়িতে পৌঁছানো হবে। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন এ তথ্য জানান।
আজ বেলা ১১টায় স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ‘কোরবানির পশু নির্ধারিত স্থানে জবেহকরণ ও দ্রুত বর্জ্য অপসারণে করণীয়’ বিষয়ে দেশের সব সিটি করপোরেশন ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠকে এ তথ্য জানান মন্ত্রী। তিনি বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। এতে দেশের ১১টি সিটি করপোরেশনের মেয়র, ভারপ্রাপ্ত মেয়র, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও বাংলাদেশ ইসলামিক ফাউন্ডেশনসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে জানানো হয়, কোরবানির পশু জবাইয়ের জন্য দেশের সব সিটি করপোরেশন ও জেলা শহরে সম্ভাব্য ৬ হাজার ২৩৩টি স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে দেশের ১১টি সিটি করপোরেশনের জন্য ২ হাজার ৯৪৩টি স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের জন্য ৫৬৭টি এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের জন্য ৫৮৩টি স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া চট্টগ্রামে ৩৮৭টি, রাজশাহীতে ২২৪টি, খুলনায় ১৬০টি, গাজীপুরে ৪২৬টি, নারায়ণগঞ্জে ১৮১টি, সিলেটে ২৭টি, রংপুরে ৯৯টি, বরিশালে ১৪০টি এবং কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে ১৪৯টি স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। সিটি করপোরেশনগুলোতে পশু কোরবানিতে অংশ নেবেন ৪ হাজার ৮৮৫ জন ইমাম ও ১২ হাজার ৬৩৮ জন কসাই। সিটি করপোরেশনগুলোর নিজস্ব ওয়েবসাইটে এ তালিকা পাওয়া যাবে।
বৈঠকে মন্ত্রী বলেন, ধর্মীয় মূল্যবোধ সমুন্নত রেখে জনস্বাস্থ্য ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়কে বিবেচনায় রেখে কোরবানির পশু নির্দিষ্ট স্থানে জবাই করতে জনসাধারণকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। তিনি এ ব্যাপারে এখন থেকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সিটি করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্দেশ দেন।
বৈঠকে জানানো হয়, কোরবানির ১০ থেকে ১৫ দিন আগে—কখন কোন এলাকার বা বাড়ির পশু জবাই হবে, তার বিবরণ-সংবলিত স্লিপ প্রতিটি বাড়িতে পৌঁছানো হবে। কোরবানির অন্তত ১০ দিন আগে এলাকাভিত্তিক পশুর হাটে এবং প্রতিটি ওয়ার্ডে পশু জবাইয়ের নির্ধারিত স্থানের তালিকা ব্যানারে টাঙিয়ে দেওয়া হবে। পশু কোরবানির পর পরিত্যক্ত বর্জ্য অপসারণের জন্য প্রয়োজনীয় যান ও যন্ত্রপাতি প্রস্তুত রাখতে হবে। ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে স্থানটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে ব্যবহারের উপযোগী করার ব্যবস্থা নিতে হবে।
এতে আরও জানানো হয়, সার্বিক ব্যবস্থাপনা ঠিক রাখতে সিটি করপোরেশনের স্থানীয় কাউন্সিলরদের নেতৃত্বে স্থানীয় ইমামদের অন্তর্ভুক্ত করে কমিটি গঠন করা হয়েছে। ১৮ বছরের কম বয়সী মাদ্রাসাছাত্রদের পশু জবাইয়ের কাজে অন্তর্ভুক্ত না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
Related News
বিদ্যুৎ নিয়ে সব জেলা পরিষদকে সরকারের নির্দেশনা
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: দেশের প্রতিটি জেলা পরিষদের নিজস্ব স্থাপনায় আগামী ২০২৭ সালের জানুয়ারির মধ্যে ছাদভিত্তিকRead More
প্রেসক্রিপশন ছাড়া বিক্রি করা যাবে না অ্যান্টিবায়োটিক
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: দেশে প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করতে কঠোর মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদারRead More



Comments are Closed