Main Menu

দু-দেশের সম্পর্ক মজবুত অর্থনৈতিক ভিত্তি গড়বে: হাসিনা

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ-ভারত আরো গভীর সম্পর্কের মধ্য দিয়ে অর্থনীতির মজবুত ভিত্তি রচনা করবে বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার বিকেলে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বেনাপোল-পেট্রাপোল ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা এ অভিমত ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, দুই দেশের অর্থনীতি আরো মজবুত ভিত্তি পাবে। কারণ, এ দুই দেশের সম্পর্ক মানুষে-মানুষে। এটি সেই ১৯৭১ সাল থেকেই।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে সড়ক-রেল যোগাযোগ চালু হয়েছে। সার্বিক বাণিজ্য ব্যবস্থা রয়েছে। আমরা আরো এগিয়ে যাব।

মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদান সবসময় চিরস্মরণীয় বলেও মন্তব্য করেন শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, আমাদের সরকার মনে করে, বাংলাদেশ-ভারত ব্যবসা-বাণিজ্যে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। দুই দেশের জনগণের জন্যই শক্তিশালী যোগাযোগ দরকার ছিল। তা সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তা আরো সুসম্পর্কে যাবে। এ ছাড়া আঞ্চলিক যোগাযোগ সৃষ্টি হয়েছে; এটিও আমাদের বাণিজ্য উন্নতির অন্যতম দিক।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আজ বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ও স্মরণীয় দিন। পারস্পরিক আদান-প্রদানের নিরিখেও আজকের দিনটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।

SHarsha photo...21.07.2016(1)জানা গেছে, বেনাপোল স্থল বন্দরে বৃহৎ পরিসরে বাণিজ্যিক কার্যক্রম চললেও ভারতের পেট্রাপোল বন্দরে স্বল্প পরিসরে ছিল বাণিজ্যসেবা। এতে পণ্য খালাসে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছিলেন ব্যবসায়ীরা। দীর্ঘদিন ধরে দু’পারের ব্যবসায়ীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ভারত অংশে বেনাপোল বন্দরের গাঁ ঘেঁষে ৩০০ হেক্টর জমির ওপর নির্মিত হয় অত্যাধুনিক এই ‘ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট’। পরবর্তীতে বেনাপোল বন্দরের সঙ্গে লিংকরোড তৈরি করে সংযোগ দেওয়া হয়। এক হাজার পণ্যবাহী ট্রাকের ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট বাংলাদেশের সঙ্গে আমদানি রফতানি বাণিজ্যে আরও গতিশীলতা আসবে। ট্রাক টার্মিনাল, এয়ারকন্ডিশন ওয়ার হাউজ, এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট জোন ও স্ক্যানিং মেশিনসহ বিশ্বের আধুনিক বন্দরের সব সুযোগ-সুবিধা থাকছে এখানে। ইতোপূর্বে যানজট নিরসনে এপথে কোনো রকমে শুধুমাত্র রফতানি বাণিজ্য শুরু হওয়ার পর এখন থেকে আমদানি-রফতানি দুটোই শুরু হতে যাচ্ছে।

Share





Related News

Comments are Closed