Main Menu

তাহিরপুরে কিশোরীকে গণধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার পল্লীতে ১৪ বছরের এক কিশোরী গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের কামালপুর গ্রামে দুই লম্পটের সহযোগীতায় কিশোরীকে পালাক্রমে ধর্ষন করেছে ৫ লম্পট। ধর্ষনের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে শনিবার পুলিশ ২ ধর্ষককে গ্রেপ্তার করেছে।
পুলিশ ও ভিকটিমের পারিবরীক সুত্রে জানা যায়, উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের কামালপুর গ্রামের এক দরিদ্র পরিবারের ওই কিশোরী গত সোমবার (১৩ জুন) রাতে টিউবওয়েল থেকে পানি আনতে গেলে পার্শ্ববর্তী বিন্নাকুলী গ্রামের ধন মিয়ার ছেলে কবির হোসেন, মন্তাজপুর গ্রামের আবদুর রহিমের ছেলে আবদুল হক, আয়নাল হক, লিলু মিয়ার ছেলে মোক্তার হোসেন, লামাশ্রম গ্রামের হাতিম আলীর ছেলে আবদুল আওয়াল সংঘবদ্ধ হয়ে ঐ কিশোরীকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। অপহরণের পর কামালপুর গ্রামের কবরস্থানের পার্শ্ববর্তী সবজি ক্ষেতে করিমপুর গ্রামের হাছেন আলীর ছেলে সুলতান ও মনিরের সহযোগীতায় ঐ কিশোলীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে ৫ নরপশু। অসহায় দরিদ্র পরিবারের কিশোরী ইজ্জতের ভয়ে প্রথমে ঘটনাটি কাউকে জানায়নি। পরে পরিবারের লোকজন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কামরুলকে ধর্ষণের বিষয়টি অবহিত করলে তিনি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)কে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ করেন। এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে ধর্ষণের শিকার কিশোরীর চাচা বাদী হয়ে ৫ ধর্ষণকারী এবং তাদের আরো দুই সহযোগী সহ ৭ জনের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
তাহিরপুর থানার এসআই একেএম জালাল উদ্দিনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ শনিবার করিমপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে দুই ধর্ষক আবদুল হক ও মোক্তার হোসেনকে গ্রেপ্তার করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শহিদুল্লাহ্ জানান, এ গণধর্ষণের ঘটনায় জড়িত অন্য আসামীদেরও গ্রেফতারে পুলিশী চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

Share





Related News

Comments are Closed