Main Menu

কানাডায় শরণার্থী আবেদনের নিয়মে পরিবর্তন, কার্যকর ৩ নভেম্বর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: কানাডায় শরণার্থী বা রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তন আসছে। আগামী ৩ নভেম্বর থেকে চালু হচ্ছে নতুন অনলাইন আবেদন পদ্ধতি। এতে আবেদনকারীদের অতিরিক্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি ব্যক্তিগত ও পারিবারিক তথ্য আরও বিস্তারিতভাবে দিতে হবে। তবে ২ নভেম্বরের মধ্যে আবেদন চূড়ান্তভাবে জমা দিতে না পারলে নতুন নিয়মে তথ্য যাচাই ও পূরণের প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। আগে থেকেই সফলভাবে আবেদন জমা দেওয়া ব্যক্তিদের নতুন করে আবেদন করতে হবে না।

কানাডার ইমিগ্রেশন, রিফিউজিস অ্যান্ড সিটিজেনশিপ কানাডা (আইআরসিসি) আগামী ৩ নভেম্বর থেকে বর্তমান অনলাইন আবেদন পদ্ধতির পরিবর্তে নতুন রিফিউজি ক্লেইম অ্যাপ্লিকেশন পদ্ধতি চালু করতে যাচ্ছে। দেশটির শরণার্থী ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও কাঠামোবদ্ধ করার উদ্যোগের অংশ হিসেবে এ পরিবর্তন আনা হচ্ছে।

নতুন পদ্ধতিতে অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে আবেদন করার সময় আবেদনকারীদের আগের তুলনায় বেশি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। একই সঙ্গে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক তথ্য আরও বিস্তারিতভাবে সরবরাহ করতে হবে। এর লক্ষ্য হলো আবেদনপত্রে প্রয়োজনীয় তথ্য নিশ্চিত করে তা সরাসরি ইমিগ্রেশন অ্যান্ড রিফিউজি বোর্ডের (আইআরবি) কাছে পাঠানো।

নতুন নিয়মে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে তাঁদের ওপর, যাঁরা আইআরসিসির অনলাইন পোর্টালে শরণার্থী হিসেবে আবেদন করার প্রক্রিয়া শুরু করেছেন, কিন্তু এখনো আবেদন চূড়ান্তভাবে জমা দেননি।

বর্তমান পদ্ধতিতে আবেদন চূড়ান্তভাবে জমা দেওয়ার শেষ সময় ২ নভেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন জমা দিতে না পারলে ৩ নভেম্বর থেকে নতুন পদ্ধতিতে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে আগে সংরক্ষিত তথ্য পুনরায় পর্যালোচনা করার পাশাপাশি নতুন প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে হবে।

তবে যাঁরা ইতিমধ্যে সফলভাবে আবেদন জমা দিয়েছেন, তাঁদের নতুন করে আবেদন করার প্রয়োজন নেই। ২ নভেম্বরের মধ্যে জমা পড়া আবেদনগুলো বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী প্রক্রিয়াজাত করা হবে।

নতুন পদ্ধতি চালুর খবরে আবেদনকারীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হলেও, এর অর্থ এই নয় যে আগে আবেদন জমা দেওয়া সবাইকে আবার আবেদন করতে হবে। মূলত আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করেও যাঁরা তা চূড়ান্ত করতে পারেননি, তাঁদের নির্ধারিত সময়সীমার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।

কানাডা সরকারের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ২৬ মার্চ পাস হওয়া বিল সি-১২-এর আওতায় দেশটির শরণার্থী ব্যবস্থার দীর্ঘসূত্রতা ও জটিলতা কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী ৩ নভেম্বরের অনলাইন পদ্ধতিতে পরিবর্তন সেই বৃহত্তর সংস্কার উদ্যোগেরই অংশ।

Share





Related News

Comments are Closed