Main Menu

হযরত শাহপরাণ (রহ.) এর মাজারের ওরস সমাপ্ত

Manual3 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: হযরত শাহপরাণ (রহ.) এর মাজারে দুদিনব্যাপী ওরস আজ শুক্রবার বাদ ফজর আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হয়েছে। এরআগে
বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) সকাল ১০টায় শুরু হওয়া ওরসে শুধু কোরআন খতম, জিকির-আজকার, দোয়া দরুদ ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানিয়েছে মাজার কর্তৃপক্ষ।

এবার ওরস থেকে খালি হাতে বাড়ি ফিরেছেন ভক্ত ও আশেকানরা। হযরত শাহপরাণ (রহ.) এর ৭ শতাব্দী প্রাচীন রেওয়াজ শিরনী দিয়ে বিদায় দেওয়া হয়নি তাদের। এ শিরনী তাবারুক হিসাবে ভক্ত ও আশেকানদের মাঝে বিশেষ কদর রয়েছে।

Manual1 Ad Code

গত বছর ওরসে মব তৈরি করে বিশৃঙ্খলার কারণে এবার পুলিশ প্রশাসন বেশ কিছু বিধিনিষেধ পালনের শর্তে বার্ষিক ওরস করার অনুমতি দেয়। এর মধ্যে ছিল ভক্তদের গান-বাজনা বন্ধ রাখা এবং মাজার মতোয়াল্লীদের পক্ষ থেকে শিরনী বিতরণ না করা।

Manual2 Ad Code

এবার ওরসে আসা আশেকানরা জানিয়েছেন, গত বছর মব সন্ত্রাসের কারণে এ ওলির মাজারে অনেক কম লোক এসেছেন। এটা সুফিবাদি রেওয়াজের জন্য মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। এতে ইসলাম ও সুফিবাদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

প্রতি বছর খতমে কোরআন, দোয়া, জিকির, মিলাদ, গিলাফ চড়ানো, গরু জবেহ, ফাতেহা পাঠ এবং শেষ দিন বাদ ফজর আখেরি মোনাজাতের পর শিরনী বিতরণের মধ্য দিয়ে ওরস সমাপ্তি ঘটে। তবে এবার পুলিশের নির্দেশে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কারণে শিরনী বিতরণ বন্ধ রাখা হয়েছে।

Manual4 Ad Code

মাজারের খাদেম আব্দুল আজিজ জানান, ‘প্রশাসনের সভায় আমাদের জানানো হয় শিরনী বিতরণে নিরাপত্তাজনিত কারণে কিছু সীমাবদ্ধতা রাখা হয়েছে। আমরা সেই সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছি।’

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ওরসকে কেন্দ্র করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। ওরস চলাকালীন পুলিশ, র‍্যাব, এনএসআই, ডিজিএফআই, স্থানীয় সেনা ও অন্যান্য সংস্থা এলাকা মনিটরিং করে। ড্রোন ক্যামেরার মাধ্যমে পুরো এলাকা পর্যবেক্ষণ করা হয়। তদারকি কমিটি পালাক্রমে দায়িত্ব পালন করে।

Manual8 Ad Code

নাগরিক সমাজ ও ঐতিহ্য রক্ষাকারী সংগঠনগুলো প্রশাসনের নিরাপত্তা নিশ্চয়তা থাকা সত্ত্বেও শিরনী বিতরণ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তকে অযৌক্তিক মনে করেন। পরিবেশ ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি রেজাউল কিবরিয়া বলেন, ‘শিরনী বিতরণ আমাদের সংস্কৃতির অংশ। প্রশাসন যদি সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করে, তাহলে ঐতিহ্য অনুযায়ী কার্যক্রম চালানো সম্ভব।’

সিলেট জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম জানান, ‘কোনও ব্যক্তি আমাকে বিষয়টি জানায়নি। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে হয়তো এমন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যেটা করলে সমস্যা হতে পারে, সেটা না করাই ভালো।’

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code