Main Menu

সন্ত্রাসবিরোধী আইনে সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী ও অধ্যাপক কার্জন আটক

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: ডিআরইউতে মব বা দলবদ্ধ বিশৃঙ্খলার মুখে সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জনসহ পুলিশ হেফাজতে নেওয়া ব্যক্তিদের গ্রেফতার দেখানো হয়।

বিবিসি বাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম।

ডিবির প্রধান শফিকুল ইসলাম বৃহস্পতিবার রাত পৌনে বারটার দিকে সাংবাদিকদের জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হচ্ছে এবং তাদের শাহবাগ থানা থেকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

মি. ইসলাম বলেন, আটক ব্যক্তিদের বক্তৃতা, বিবৃতি, বই, কলামের লেখা ইত্যাদি বিশ্লেষণ করে পুলিশ তথ্য-প্রমাণ পেয়েছে। তিনি বলেন ‘লতিফ সাহেবের বক্তৃতা দেখলাম, যেই ব্যানারে আসছে সেই ব্যানারটা দেখলাম। এছাড়া, তাদের কলাম-বই এসব অ্যানালাইসিস করে দেখলাম একটা নির্দিষ্ট দিকে যাচ্ছে, তারা যে সমস্ত বক্তৃতা-বিবৃতি দিচ্ছে, তা রাষ্ট্রের অবস্থানের সাথে কন্ট্রাডিক্টরি (বিরোধী)।’

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) সকালে ‘আমাদের মহান স্বাধীনতাযুদ্ধ এবং বাংলাদেশের সংবিধান’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করেছিল ‘মঞ্চ ৭১’।

দুপুর ১২ টার দিকে অনুষ্ঠান চলাকালে এক দল ব্যক্তি নিজেদের ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দিয়ে মিলনায়তনে ঢুকে পড়েন এবং সেখানে অংশগ্রহণকারীদের ‘ফ্যাসিবাদের দোসর’ ও ‘খুনি’ আখ্যা দিয়ে হেনস্তা করেন।

যারা অনুষ্ঠানে মব সৃষ্টি করেছে, তাদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে কি না, এমন প্রশ্নে ডিএমপি’র গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান বলেন, মামলা হলে তদন্ত করে যার বিরুদ্ধে প্রমাণ পাওয়া যাবে তার বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এটা তদন্তের ব্যাপার।

বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলের ফুটেজে দেখা যায়, ডিআরইউতে অনুষ্ঠানস্থলে লতিফ সিদ্দিকী একটি চেয়ারে চুপচাপ বসে আছেন এবং বেশ কয়েকজন বিক্ষুব্ধ ব্যক্তি তাকে ঘিরে গালি-গালাজ ও বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছে।

এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক হাফিজুর রহমান কার্জনও ওই রুমে ছিলেন। এ সময় বিক্ষুব্ধ ব্যক্তিরা তাকে সেখান থেকে বেরিয়ে যেতে বাধা দেন।

এক পর্যায়ে তার গায়ে ধরে তাকে সেখানেই বসে থাকতে বলেন তারা। ওই শিক্ষকের সাথে তাদের কথা কাটাকাটি হতে দেখা যায়।

 

Share





Related News

Comments are Closed