Main Menu

আজ বিশ্ব দৃষ্টি দিবস

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: আজ বৃহস্পতিবার (১৩ অক্টোবর) বিশ্ব দৃষ্টি দিবস। বিশ্বজুড়ে দৃষ্টি সম্পর্কে সচেতনতার জন্য প্রতি বছর অক্টোবর মাসের দ্বিতীয় বৃহস্পতিবারকে দৃষ্টি দিবস হিসেবে পালন করা হয়। চোখের বিকলতা ও অন্ধত্ব সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করাই আজকের দিবস পালনের উদ্দেশ্য।

চোখের যত্ন নেয়ার জন্য জনসচেতনতা তৈরিতে নানা কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশেও দিবসটি পালন করছেন চক্ষু বিশেষজ্ঞরা।

চক্ষু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রধানত ৭টি কারণে মানুষ অন্ধ হয়। সেগুলো হলো- বয়সজনিত ম্যাকুলার ডিজেনারেশন, গ্লুকোমা, চোখের ছানি, যা প্রতিরোধযোগ্য, ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি হলেও অন্ধত্ব হয়, আঘাতজনিত কারণ, ট্রাকোমা ও ভিটামিনের অভাব।

এক সময় ভিটামিন ‘এ’ এর অভাবে দেশে অনেকেই অন্ধত্ব বরণ করত। তবে, ন্যাশনাল আই কেয়ারের ইপিআই কর্মসূচির মাধ্যমে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল সরবরাহ করায় রাতকানা রোগের প্রকোপ অনেক কমে গেছে।

মানবদেহের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ চোখ। কিন্তু এ বিষয়ে সাধারণ মানুষ উদাসীন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) হিসাবে, বিশ্বে প্রায় ৪ কোটি মানুষ নিবারণযোগ্য অন্ধত্বের শিকার। এ ছাড়া দৃষ্টিহীন মানুষের সংখ্যা প্রায় ২৪ কোটি।

চক্ষু বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, উন্নয়নশীল দেশগুলোতে প্রতি মিনিটে ১২ জন মানুষ দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হয়ে পড়ছে। বাংলাদেশে ৮০ শতাংশ দৃষ্টিপ্রতিবন্ধিতার প্রধান কারণ ছানিজনিত। দেশে বছরে প্রায় আড়াই লাখ মানুষ অন্ধত্বজনিত ছানি রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।

মানুষ সচেতন হলে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধিতা ও অন্ধত্ব কমানো সম্ভব। কী কারণে মানুষ অন্ধত্ব বরণ করছে, সে সম্পর্কে সাধারণ মানুষের স্বচ্ছ ধারণা থাকলে দেশে অন্ধত্বের হার অনেকাংশে হ্রাস পেত বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

তারা বলছেন, বাংলাদেশসহ বিশ্বে বেশ কয়েকটি কারণে মানুষ অন্ধত্ব বরণ করছে। প্রথমত বয়সজনিত কারণে, দ্বিতীয় হলো গ্লুকোমা, তৃতীয় হলো চোখের ছানি, যা প্রতিরোধযোগ্য। তবে ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি হলেও অন্ধত্ব হয়। এছাড়া আঘাতজনিত কারণে ও ভিটামিন ‘এ’-এর অভাবে।

Share





Related News

Comments are Closed