Main Menu

এপ্রিলে ৪২৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫৪৩ জন নিহত

Manual6 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক : এপ্রিল মাসে সারা দেশে ৪২৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫৪৩ জন নিহত ও ৬১২ জন আহত হয়েছেন। এই মাসে প্রতিদিন গড়ে ১৮ জন নিহত হয়েছেন। সবচেয়ে বেশী দুর্ঘটনা ঘটেছে ঢাকা বিভাগে এবং সবচেয়ে কম সিলেটে।

Manual4 Ad Code

নিহতদের মধ্যে শিক্ষার্থী সবচেয়ে বেশি। এ মাসে ৬৩ জন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। আর এর আগের মাস অর্থাৎ মার্চ মাসে দুর্ঘটনায় নিহত হন ৭৪ জন শিক্ষার্থী।

Manual8 Ad Code

শনিবার (৭ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। সংগঠনটি এপ্রিল মাসের দুর্ঘটনার প্রতিবেদন প্রকাশ করে। তারা সাতটি জাতীয় দৈনিক, পাঁচটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে।

Manual7 Ad Code

রোড সেফটি ফাউন্ডেশন আরও বলছে, এপ্রিল মাসে দুর্ঘটনায় ১৮ থেকে ৬৫ বছর বয়সী কর্মক্ষম মানুষ নিহত হয়েছেন ৭৯ দশমিক ৩৭ শতাংশ। এ ছাড়া এপ্রিলে দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৫৪৩ জন। এর মধ্যে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ২০৬ জন। এপ্রিল মাসের মোট দুর্ঘটনার ৪৪ দশমিক ২৬ শতাংশ মোটরসাইকেলে দুর্ঘটনা।

সংগঠনটি জানিয়েছে, এ বছরের এপ্রিল মাসে দেশে ৪২৭টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে নিহত হয়েছেন ৫৪৩ জন ও আহত হয়েছেন ৬১২ জন। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে নারী ৬৭ ও শিশু ৮১ জন। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় সবচেয়ে বেশি, ২০৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। মোট নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ৩৭ দশমিক ৯৩ শতাংশই মোটরসাইকেলের চালক ও আরোহী। এরপর আছেন পথচারী। দুর্ঘটনায় ২১ দশমিক ৩৬ শতাংশ পথচারী নিহত হন।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, মার্চ মাসে দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত যানবাহনের মধ্যে ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও পিকআপের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি (৩০ দশমিক ১১ শতাংশ)। এরপর মোটরসাইকেল ২৬ শতাংশ, থ্রি-হুইলার ১৫ দশমিক ৩২ শতাংশ ও বাস ১০ দশমিক ৪৩ শতাংশ। এপ্রিল মাসে জাতীয় সড়কে দুর্ঘটনা সবচেয়ে বেশি (৪৩ দশমিক ৭৯ শতাংশ)। এরপর আছে ২৮ দশমিক ৮০ শতাংশ আঞ্চলিক সড়কে ও গ্রামীণ সড়কে ১৫ দশমিক ৪২ শতাংশ।

ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ১৩১টি দুর্ঘটনায় ১৫৬ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। সবচেয়ে কম সিলেট বিভাগে ১৯টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। একক জেলা হিসেবে ঢাকা জেলায় সবচেয়ে বেশি ৩৯টি দুর্ঘটনায় ৪৪ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এ ছাড়া সবচেয়ে কম দুর্ঘটনা ঘটেছে ঝালকাঠি জেলায়। রাজধানীতে ২২টি দুর্ঘটনায় ২৪ জন নিহত হয়েছেন।

Manual1 Ad Code

প্রতিবেদনে দুর্ঘটনার বেশ কিছু কারণ উঠে এসেছে। এর মধ্যে কিশোর-যুবকদের বেপরোয়াভাবে মোটরসাইকেল চালানো, চালকদের অদক্ষতা ও অস্থিরতা, ট্রাফিক আইন না জানা ও না মানা, দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারির শিথিলতা এবং গণপরিবহন খাতে চাঁদাবাজি অন্যতম।

প্রতিবেদনে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা রোধে বেশ কিছু সুপারিশ তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে ‘সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮’ এর সুষ্ঠু প্রয়োগ নিশ্চিত করা, দক্ষ চালক তৈরির উদ্যোগ বাড়ানো, গণপরিবহন উন্নত করা, সড়ক-মহাসড়কে সড়ক বিভাজক নির্মাণ করা এবং বিআরটিএর সক্ষমতা বাড়ানো অন্যতম।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code