Main Menu

বাহুবলে তথ্য প্রযুক্তি আইনের মামলার বাদীর পরিবারকে হুমকি

বাহুবল প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার কচুয়াদি গ্রামের বাসিন্দা শারমিন আক্তারের দেয়া তথ্য প্রযুক্তি আইনের মামলায় সুকৌশলে পুলিশ মামলার প্রধান আসামি জাবেদ আহমেদকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরন করার পর আসামির লোকজনের মামলা তুলে নেয়ার হুমকিতে জীবন মৃত্যুর শংকায় ভুগছেন বাদী ও তার পরিবার।

সাংবাদিকদের কাছে এ আশংকার কথা জানিয়েছেন বাদী শারমিন আক্তার।

বাহুবল মডেল থানায় দায়ের করা ১৬/৫১ নং মামলায় উল্লেখ করা হয় উপজেলার কচুয়াদি গ্রামের শারমিন আক্তারের অনুমতি ছাড়া ছবি সংগ্রহ, সংযোজন করিয়া মিথ্যা ভাবে ডিজিটাল ডিভাইসে ফেইক ফেইসবুক আইডি তৈরি করে স্হানীয় তিতারকোনা প্রকাশিত মামদনগর গ্রামের কদর আলীর পুত্র জাবেদ আহমেদসহ অজ্ঞাতনামারা যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করে শারমিন আক্তারের মানহানীসহ সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করে।

বাদী শারমিন আক্তারের তথ্যের ভিত্তিতে ২৮ এপ্রিল বাহুবল মডেল থানা পুলিশ জাবেদ আহমেদকে থানায় এলে সুকৌশলে তার দুটি মোবাইল ফোন জব্দ ও তাকে আটক করে। এ ঘটনায় শারমিন আক্তার বাদী হয়ে জাবেদ আহমেদ সহ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় জাবেদ আহমেদকে পুলিশ বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করলে বিজ্ঞ আদালত তাকে কারাগারে প্রেরন করেন।

এ বিষয়ে শারমিন আক্তারের স্বামী ফয়েজ আহমেদ এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন আমি সামাজিক জীবনে একজন প্রতিভাবান। তিনি আরও জানান তিনি মিরপুরের সানশাইন মডেল হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষিকা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাহুবল উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য, বাহুবল পাবলিক লাইব্রেীর নির্বাচিত সদস্যসহ বিভিন্ন সংগঠনের সাথে জড়িত। শিক্ষা ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য এওয়ার্ড লাভ করেছেন। তার দায়েরকৃত মামলা তুলে নিতে তাকে প্রতিনিয়ত আসামির লোকজন হুমকি অব্যাহত রেখেছে এবং তার বিরুদ্ধে নানান অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

সানশাইন মডেল হাইস্কুলের পরিচালক এম সামসুদ্দীন এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন শারমিন আক্তার আগে এ প্রতিষ্ঠানে ছিলেন এখন নাই।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই সমিরণ দাস জানান আসামিকে গ্রেপ্তার করে প্রেরণ করা হয়েছে এবং রিমান্ড মঞ্জুরের আবেদন করা হয়েছে। রিমান্ডের পর আলামত ফরেনসিক বিভাগে প্রেরণ করা হবে। ছবি সংগ্রহীত।

Share





Related News

Comments are Closed